পিএমইন্ডিয়া
আগামী ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে ভোটার ভেরিফায়েবল পেপার অডিট ট্রেল(ভিভিপিএটি) মেশিন সংগ্রহের এক প্রস্তাবে আজ অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেএই ধরনের ১৬,১৫,০০০টি ভিভিপিএটি মেশিন ক্রয়ের অনুমতি দেওয়া হয়। প্রতিটি মেশিনেরজন্য কর ও মাশুল বাদে খরচ পড়বে ১৯,৬৫০ টাকা। ফলে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভিভিপিএটিসংগ্রহের জন্য ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩,১৭৩ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা । ব্যয়ের এই পরিমাণঅবশ্য কর ও মাশুল ছাড়াই হিসাব করা হয়েছে। ২০১৭-১৮ এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে মেশিনগুলিকেনা হবে ব্যাঙ্গালোরের ভারত ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড এবং হায়দরাবাদের ইলেক্ট্রনিক্সকর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড-এর কাছ থেকে।
সরকারি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে দেশেরসবক’টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ভিভিপিএটি মেশিন বসানোর কাজ অনেক সহজ হয়ে উঠল নির্বাচনকমিশনের পক্ষে। এই মেশিন সংস্থাপনের ফলে সঠিক পরিচিতি ও ভোটদান সম্পর্কে ভোটদাতারাযেমন সন্তুষ্ট থাকবেন, অন্যদিকে তেমনই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিও হয়ে উঠবে স্বচ্ছতর।সংশ্লিষ্ট ভোটার পছন্দের প্রার্থীর নাম অনুযায়ী যখন মেশিনের বোতাম টিপবেন, তখনব্যালট স্লিপ নামে একটি কাগজের স্লিপ বেরিয়ে আসবে যাতে পছন্দের প্রার্থীর নাম,ক্রমিক সংখ্যা এবং প্রতীক চিহ্ন দেওয়া থাকবে। সংশ্লিষ্ট ভোটার একটি বিশেষ পর্দারমাধ্যমে এগুলি দেখতে পাবেন মাত্র ৭ সেকেন্ডের জন্য। তারপরই সেটি স্বয়ংক্রিয়পদ্ধতিতে জমা পড়ে যাবে সিল করা একটি ড্রপ বক্সে। এই প্রক্রিয়ায় স্লিপটি ভোটারেরহাতে যাবে না এবং দ্বিতীয় কোন ব্যক্তি সেটি দেখতেও পাবেন না।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শীর্ষ আদালত ২০১৩-র ৮ অক্টোবরের এক আদেশে পর্যায়ক্রমেভিভিপিএটি চালু করার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। এজন্য প্রয়োজনীয় অর্থেরসংস্থান করতেও বলা হয় শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে।
PG/SKD/DM/