নতুন দিল্লি, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ২০২৬-এর এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় দলের ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। তিনি বলেন, একসঙ্গে এত পদকজয়ীকে এক জায়গায় দেখতে পেয়ে সুন্দর এক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, “আপনারা তরুণ ক্রীড়াবিদরা প্রমাণ করেছেন, যখন আবেগ পদকপ্রাপ্তিতে পরিণত হয়, তখন পদক পাওয়া খেলোয়াড়রা আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠেন।”
১৪০ কোটি দেশবাসীর জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত উপহার দেওয়ার জন্য ক্রীড়াবিদদের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পতাকার সম্মান ও গৌরব বৃদ্ধি করাই প্রকৃত সাফল্য। দেশের জন্য এই জয় সম্মিলিতভাবে অর্জিত হয়েছে। এর জন্য খেলোয়াড়, তাঁদের কোচ, সহায়তা প্রদানকারী কর্মী এবং পরিবারবর্গকে তিনি অভিনন্দন জানান। “এই সাফল্য শুধু আপনাদের একার নয়; দেশের কোটি কোটি নাগরিকেরও সাফল্য এটি।”
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ড. এ.পি.জে. আব্দুল কালামের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, ড. কালামের বৈচিত্রময় জীবন এবং দূরদর্শী ভাবনা আজও দেশকে পথ দেখাচ্ছে। “তাঁর জীবনযাত্রা ও ভাবনা চিন্তা আমাদের সবার কাছে অনুপ্রেরণার উৎস।”
এশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক মাইলফলকগুলি অর্জনের কথা উল্লেখ করে, প্রধানমন্ত্রী পুরুষ ও মহিলা হকি দলের জোড়া স্বর্ণপদক জয়ের প্রশংসা করেন। মহিলা হকি দলের ৪৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সোনা জয়ের প্রসঙ্গটি তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন। এছাড়া, ক্রিকেট দলের টানা পদক জয় এবং কাবাডিতে দুটি স্বর্ণপদক প্রাপ্তির বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন। পাশাপাশি তিরন্দাজিতে পাঁচটি স্বর্ণপদক, শুটিং, বক্সিং ও কুস্তিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, অ্যাথলেটিক্সে নতুন রেকর্ড, ২৮ বছর পর ভারোত্তোলনে পদক জয় এবং ১৯৮২ সালের পর ম্যারাথনে প্রথম সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন শ্রী মোদী। “এবারের এশিয়ান গেমস আমাদের কাছে নানা ভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
ভারতের মোট ৮৫টি পদকের মধ্যে ৩৮টি জিতেছেন মহিলা ক্রীড়াবিদরা। এর মধ্যে ১১টি স্বর্ণপদক। মহিলাদের অসাধারণ ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের এই সাফল্য পরিসংখ্যানগত হিসেবের মধ্যে আবদ্ধ নয়, তার থেকেও অনেক বেশি; এটি ক্ষমতায়িত ‘নতুন ভারত’-এর প্রতিফলন। মিক্সড মার্শাল আর্টস, সফট টেনিস এবং সেলিংয়ের মতো ইভেন্টগুলিতে প্রথমবারের মতো পদক জিতে ভারতীয় খেলোয়াড়রা ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। “আজ ভারত এমন সব ইভেন্টেও পদক জিতছে, এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে আগে কখনও আমরা সেই ইভেন্টগুলিতে কোনো পদক জিতিনি”।
ক্রীড়াজগতে আরও সাফল্য অর্জনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াবিদদের উৎসাহ উদ্দীপনায় পরিপূর্ণ একটি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন। এই অনুষ্ঠানে সকলে একসঙ্গে বলে ওঠেন “উই উইল ডু ইট” (“আমরা এটি করে দেখাব!”)। ক্রীড়াবিদরা যেন প্রতিটি ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের ত্রিবর্ণ রঞ্জিত জাতীয় পতাকার গৌরব বজায় রাখেন, ক্রীড়া জগতে দেশের জন্য একটি নতুন-পরিচয় গড়ে তোলেন এবং প্রতিটি ক্রীড়া বিভাগে নতুন নতুন চ্যাম্পিয়ন তৈরি হয়, সেই আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা আরও নতুন রেকর্ড গড়বো – আমরা এটা করে দেখাব!”
প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াবিদদের বলেন, এই স্টেডিয়ামটি কিংবদন্তি মেজর ধ্যান চাঁদের নামে নামাঙ্কিত, যিনি গভীর রাত পর্যন্ত হকি অনুশীলনে মগ্ন থাকতেন। মহান এই ক্রীড়াবিদের অবিচল নিষ্ঠার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বড় কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য বছরের পর বছর ধরে ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। “তাঁর এই কঠোর পরিশ্রম আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় যে, কোনো সংকল্প বা স্বপ্ন একদিনেই পূরণ হয় না।”
ভারতের ক্রীড়া পরিকাঠামোয় গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা নিরলস উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী অতীতের সেই সময়ের কথা উল্লেখ করেন, যখন ভারত হাতেগোনা কয়েকটি পদক পেত এবং অনেক ইভেন্টের সম্পর্কেই কোন ধারনা ছিল না। একসময় অলিম্পিকের অর্ধেকেরও বেশি ইভেন্টে ভারতের কোনো প্রতিনিধিত্বই ছিল না। তিনি জানতে চান, প্রতিযোগিতার ময়দানে না নেমে কীভাবে কেউ সাফল্যের আশা করতে পারে? “আমরা যদি প্রতিযোগিতাতেই অংশ না নিই, তবে পদক আসবে কীভাবে?”
জাতীয় ক্রীড়া নীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগেকার দিনের উদাসীনতা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব দূর করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন। “আমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, হতাশাবাদী এই মানসিকতাকে আমরা সমূলে উপড়ে ফেলব!”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরের সুদূরপ্রসারী ভাবনা ও আন্তরিক উদ্যোগের ফলেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। তিনি একটি স্বচ্ছ ও আধুনিক ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন, যার মূল ভিত্তি হলো ‘টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিম’ (টপস) এবং ‘খেলো ইন্ডিয়া’র সম্প্রসারিত উদ্যোগ। দেশে সব কটি ক্রীড়া ফেডারেশনগুলিকে শক্তিশালী করতে এবং তৃণমূল স্তরে ক্রীড়া সংক্রান্ত কর্মসূচীকে শক্তিশালী করতে সরকার বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করেছে। “খেলো ইন্ডিয়া কর্মসূচির বিস্তার এবং ক্রীড়া ফেডারেশনগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য ৩৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল স্তরে পরিকাঠামোর দ্রুত প্রসারের কথা উল্লেখ করে জানান, দেশের ছোট-বড় বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার নতুন স্টেডিয়াম, ক্রীড়া সংক্রান্ত বহুমুখী ব্যবস্থাপনা, অ্যাথলেটিক ট্র্যাক, ফুটবল ও হকি মাঠ এবং সুইমিং পুল তৈরি করা হচ্ছে। তিনি খেলোয়াড়দের সরাসরি আর্থিক সহায়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘টপস’-এর আওতায় মাসিক ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত খরচের ভাতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা। শ্রী মোদী বলেন, “যদি কোনো খেলার জন্য বিদেশে গিয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে সরকার তার ব্যবস্থাও করছে এবং সেই সঙ্গে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করছে।”
প্রধানমন্ত্রী ‘উইন্টার গেমস’, ‘সংসদ খেল প্রতিযোগিতা’ এবং নতুন ‘খেলো ভারত নীতি’-র মাধ্যমে খেলাধুলার প্রতিযোগিতামূলক আয়োজনে নানা ধরনের অভিজ্ঞতার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন ভিন্ন ভাবে সক্ষম (দিব্যাঙ্গ) ক্রীড়াবিদদের প্রসঙ্গ – এরাও দেশের গৌরব বৃদ্ধি করছেন। ক্রীড়াবিদদের এই সাফল্য থেকে প্রমাণিত, যখন কোনো খেলোয়াড় জানেন পুরো দেশ তাঁর পাশে রয়েছে, তখন অসাধারণ ফলাফল অর্জন করা সম্ভব। “আজ প্রতিটি খেলোয়াড় আত্মপ্রত্যয়ী কারণ, তাঁদের চলার পথে পুরো দেশ তাঁদের পাশে আছে।”
দলে থাকা ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী অংশগ্রহণকারীদের দুর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কম বয়স থেকে খেলাধুলা শুরু করা একটি বাড়তি সুবিধা দেয়। ‘খেলো ইন্ডিয়া’ এবং ‘ইমার্জিং খেলো ইন্ডিয়া’-র মাধ্যমে ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের খুঁজে বের করা এবং তাদের প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের কথা উল্লেখ করে তিনি ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন এবং ২০৩৬ সালে ভারতে অলিম্পিক আয়োজনের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। এই প্রসঙ্গে তিনি লালকেল্লার প্রাকার থেকে দেওয়া তাঁর সেই ঘোষণার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে তিনি সারা দেশে গ্রাম থেকে প্রতিভা অন্বেষণের কথা বলেছিলেন। “এই খেলোয়াড়রাই আগামী দিনে ভারতের জন্য পদক নিয়ে আসবে”।
প্রধানমন্ত্রী দেশের সুদূরপ্রসারী সংকল্পের প্রতি অবিচল আস্থা প্রকাশ করে, ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে নিয়ে উৎসাহ উদ্দীপনায় বলে ওঠেন – ” উই উইল ডু ইট!” (আমরা এটা করে দেখাব)। তিনি তাঁদের কাছে অভিন্ন কিছু লক্ষ্য তুলে ধরেন: বড় ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা, খেলাধুলার জগতে বিশ্বের প্রথমসারির দেশগুলির সঙ্গে জায়গা করে নেওয়া, আন্তর্জাতিকমানের পরিকাঠামো গড়ে তোলা এবং ভারতকে একটি ক্রীড়া কেন্দ্রে পরিণত করা। “ভারতের প্রতিটি প্রান্ত থেকে উঠে আসবে একজন চ্যাম্পিয়ন – আমরা এটা করে দেখাব!”
এশিয়ান গেমসে অর্জিত সাফল্যকে ভারতীয় যুবসম্প্রদায়ের বৃহত্তর আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ উদ্ভাবকরা এখন ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে পরিণত করেছেন। তাঁরা মহাকাশ গবেষণা, উপগ্রহ প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রে যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছেন। খেলাধুলার মতোই উদ্যোক্তা তৈরির এই প্রয়াসে ছোট ছোট শহর ও গ্রামের তরুণরাই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত এক দশকে নেওয়া বিভিন্ন সংস্কারের ফলে তাঁরা একটি বিষয়ে নিশ্চিত, পুরো দেশ তাঁদের পাশে রয়েছে। “তাঁদের মনে এই আস্থা অর্জিত হয়েছে, নিজেদের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে সমগ্র দেশ তাঁদের সঙ্গে রয়েছে।”
ক্রীড়া ক্ষেত্রে এই উৎসাহের বৃহত্তর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারি উদ্যোগের সুফল শুধুমাত্র মাঠে থাকা প্রতিযোগীরাই পাচ্ছেন না, এর পরিসর আরও বিস্তৃত। তিনি ক্রীড়া প্রশিক্ষণ, ফিজিওথেরাপি, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন খেলাধুলার প্রতিযোগিতা সম্প্রচারের মতো বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রের দ্রুত উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। “এর ফলে তরুণদের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
আন্তর্জাতিক স্তরে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পদকজয়ীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁরা যেন পরবর্তী প্রজন্মকে পথ দেখানোর দায়িত্ব নেন। তিনি তাঁদের পরামর্শ দেন, তাঁরা যেন বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেন, নিজেরা প্রথম যে মাঠে খেলা শুরু করেছিলেন, সেই মাঠে ফিরে যান এবং নিজ গ্রাম বা শহরের শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান। তাঁদের কঠোর পরিশ্রমলব্ধ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিলে তা সেই সব তরুণ স্বপ্নদ্রষ্টাদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করতে পারে, যারা তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চায়। “হয়তো আপনাদের বলা ছোট একটি কথাই কোনো শিশুকে খেলাধুলার পথে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগাতে পারে।”
খেলার মাঠের বাইরেও সেই বিষয় নিয়ে চর্চার ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা মানুষের মধ্যে আজীবন শৃঙ্খলাবোধ, পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা এবং হেরে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর মতো মানসিক দৃঢ়তা গড়ে ওঠে। এই মৌলিক গুণগুলি স্বাভাবিকভাবেই দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে এবং যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মানুষকে সঠিক পথ দেখাতে সাহায্য করে। “এই খেলোয়াড়োচিত মানসিকতা সারা জীবনই কাজে আসে।”
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শেষে নিজের চিরপরিচিত কথাটি আবারও উল্লেখ করেন। “যিনি খেলাধুলায় অংশ নেন, তিনি-ই সফল হন”। ক্রীড়াবিদদের উৎসাহ উদ্দীপনাকে ‘নতুন ভারত’-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। এরপর তিনি সবার সঙ্গে একসাথে বলে ওঠেন, ” উই উইল ডু ইট!”(আমরা এটা করে দেখাব)। ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলা, বিশ্বের প্রথম তিনটি অর্থনীতির মধ্যে একটি হওয়া, ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গঠন, ভারতকে আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন কেন্দ্র ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানকারী দেশ হিসেবে গড়ে তোলা, মহাকাশ সংক্রান্ত গবেষণা এবং অলিম্পিক আয়োজনের মতো উদ্যোগগুলিই এর প্রতিফলন। ক্রীড়াবিদরা আগামীদিনে যে সব টুর্নামেন্ট অংশ নেবেন, সেগুলির সাফল্য কামনা করেন তিনি। “এই আত্মবিশ্বাসকে পাথেয় করেই আমাদের ভারতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে।”
https://x.com/i/broadcasts/1oKMvNZqAAWGQ
SC/CB/AS
Our Asian Games champions have made the Tricolour fly high! Their achievements show what passion, perseverance and belief can achieve. https://t.co/m3gOPecQCo
— Narendra Modi (@narendramodi) October 15, 2026
You have made the Tricolour fly high and enhanced its honour and pride: PM @narendramodi to the Asian Games team https://t.co/pJazGfotrq
— PMO India (@PMOIndia) October 15, 2026
We will do it! https://t.co/5g0lLzSVsT
— PMO India (@PMOIndia) October 15, 2026
India is all set to become a global sporting powerhouse. https://t.co/x7T46sg91E
— PMO India (@PMOIndia) October 15, 2026