Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন

: ২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি কর্মচঞ্চল দিন


রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতির উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

শুক্রবার সকালে রাজঘাটে গান্ধীজয়ন্তী উপলক্ষে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী।

পরে ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “পূজনীয় বাপু’কে শত শত প্রণাম। লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মজয়ন্তীতে আমার প্রণাম”।

ঝাড়খন্ডে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার ১২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এক রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন ঝাড়খন্ডের খুঁটি জেলা আদালতে। এই উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গান্ধী জয়ন্তীতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন খুবই যুক্তিযুক্ত একটি অনুষ্ঠান। মহাত্মা গান্ধী তাঁর বিভিন্ন লেখায় ও কাজকর্মে প্রমাণ করে গেছেন, প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রেখে জীবন ধারণ সম্ভব।

সমাবেশে আদিবাসী মহিলারা দলে দলে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাম্প্রতিক রাষ্ট্রসঙ্ঘ সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং মানবজাতির ওপর তার ভয়ঙ্কর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তাঁদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতির জন্য ভারত কিন্তু দায়ী নয়। কারণ, আমাদের পূর্বসূরীরা কখনই প্রকৃতির কোনও ক্ষতিসাধনের কথা বলতেন না। তবে, সমগ্র মানবজাতিকে এই সঙ্কট থেকে মুক্ত করার জন্য ভারত যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার এই প্রচেষ্টারই একটি দিক। ঝাড়খন্ডের মতো কয়লার মজুত সমৃদ্ধ একটি রাজ্যের এক জেলা আদালতে সৌরশক্তির সাহায্যে কাজকর্ম চালানোর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরণের কোনও দৃষ্টান্তের অভাব নেই যে জেলা আদালতগুলিতে বিদ্যুতের অভাবে বিচার ব্যবস্থার কাজ বিভিন্ন সময়ে ব্যহত হয়েছে। এ ধরণের পরিস্থিতির যাতে উদ্ভব না হয়, তা নিশ্চিত করতে আদালত চত্বরে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালুর এই বিশেষ উদ্যোগ। এল.ই.ডি. আলো ব্যবহারের মাধ্যমে শক্তি সংরক্ষণ ও বিদ্যুৎ ব্যয় সাশ্রয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে আহ্বান জানান।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৬৫ সালের ভারত-পাক যুদ্ধে আমাদের বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী আমরা সম্প্রতি পালন করেছি। শ্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এই বিজয়ের ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাম্প্রতিক তাসখন্দ সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি সেখানে শ্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর একটি মূর্তির আবরণ উন্মোচন করে এসেছেন।

দুমকায় ‘প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা’র আওতায় এক বড় ধরণের ঋণদান শিবিরের উদ্বোধন করে পাঁচজন যোগ্য প্রার্থীর হাতে ঋণদান সংক্রান্ত নথিপত্র ও ‘মুদ্রা কার্ড’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। খুঁটি এবং দুমকায় ব্যাপক জনসমাবেশের ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনা উন্নয়নের প্রতি ঝাড়খন্ডের মানুষের গভীর আগ্রহের কথাই প্রকাশ করে। বাণিজ্যিক কাজকর্মকে সহজতর করে তোলার লক্ষ্যে ঝাড়খন্ডের সরকার ও জনগণ যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির স্বাক্ষর রেখেছেন তার বিশেষ প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা’র আওতায় এ পর্যন্ত ৪২ লক্ষ মানুষকে ঋণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং এজন্য ব্যয় হয়েছে ২৬ হাজার কোটি টাকা। মহাজনদের কবলমুক্ত হয়ে নিজেদের ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগের কাজ চালিয়ে যেতে এই ঋণ সহায়তা এক বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, উপকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ লক্ষই ছিলেন মহিলা প্রার্থী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গিভ ইট আপ’ ক্যাম্পেনের আওতায় এ পর্যন্ত ৩১ লক্ষ গ্রাহক এল.পি.জি.’র ওপর ভর্তুকি ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী তিনটি পরিবারকে এল.পি.জি. সংযোগ দান করে প্রধানমন্ত্রী যাঁরা ভর্তুকি নেবেন না বলে জানিয়েছেন, তাঁদের বিশেষ ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এর ফলে, দরিদ্র মানুষদের কাছে এল.পি.জি. সংযোগ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই উপলক্ষে, বি.পি.এল. পর্যায়ভুক্ত ৫ হাজার পরিবারের কাছে এল.পি.জি. সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়।

দুমকা জেলায় ঐতিহাসিক মালুতি মন্দির চত্বরের বিকাশ ও সংরক্ষণ সম্পর্কিত একটি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী চালু করেন অনলাইনে।

সাফাইগিরি বৈঠক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান, ২০১৫

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’ সফল করে তুলতে মহাত্মা গান্ধীই হলেন সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া টু ডে গোষ্ঠী আয়োজিত সাফাইগিরি বৈঠক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, ২০১৫-তে ভাষণদানকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত এক বছরে প্রচুর সংখ্যক মানুষ এই অভিযানে সামিল হয়ে তাঁদের অবদানের নজির রেখেছেন। বিশেষ করে, এই অভিযানকে কেন্দ্র করে বৈদ্যুতিন প্রচার মাধ্যম যে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে, সেকথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছতা তথা পরিচ্ছন্নতা একটি অভ্যাস। একবার এই অভ্যাস রপ্ত করতে পারলে কোনও মানুষই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ বরাদাস্ত করতে পারে না। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পর্কে ভারতের নাগরিকরা খুবই সচেতন, কিন্তু সামাজিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিষয়ে তাঁরা উদাসীন। এই মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পরিস্থিতির কারণে ভারতে প্রত্যেক দিন গড়ে ১ হাজার শিশুর মৃত্যু ঘটে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’কে শুধুমাত্র একটি সরকারি কর্মসূচি হিসেবে দেখলেই চলবে না, এটিকে করে তুলতে হবে প্রত্যেকের এবং সকলের কর্মসূচি। ১২৫ কোটি ভারতবাসী যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে ভারত’কে পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তোলা হবে, তা হলে তা সম্ভব হবে নিশ্চিত রূপেই।

অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ীদের বিশেষ প্রচেষ্টা ও অবদানের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের এই কাজ অন্যান্য বহু মানুষের কাছে এক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। গত এক বছরে ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এ দেশের যুবসমাজ সহ অন্যান্য ব্যক্তি মানুষের প্রচেষ্টার কথাও প্রধানমন্ত্রী এদিনের অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন।