পিএমইন্ডিয়া
দেশের ‘সমবায় ক্ষেত্রে বিশ্বের বৃহত্তম শস্য মজুত পরিকল্পনা’র সুবিধার্থে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি (আইএমসি) গঠন ও তার ক্ষমতায়নের প্রস্তাবে সবুজ সংকেত দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্থির হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রক; উপভোক্তা, খাদ্য ও গণবন্টন বিষয়ক মন্ত্রক এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প মন্ত্রকের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে সমন্বয়সাধনের মাধ্যমে এই মজুত পরিকল্পনার বিষয়টিকে বাস্তবায়িত করা হবে।
পরিকল্পনার কাজকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সমবায় মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি পাইলট প্রকল্প রূপায়িত হবে। এজন্য দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্তত ১০টি নির্দিষ্ট জেলাকে বেছে নেওয়া হবে। প্রকল্প রূপায়ণের কাজে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাহিদাকে যেমন গুরুত্ব দেওয়া হবে, অন্যদিকে তেমনই তার থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
এই আন্তঃমন্ত্রক কমিটিটি (আইএমসি) কেন্দ্রীয় সমবায় মন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত হবে। সদস্য হিসেবে কমিটিতে থাকবেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ, উপভোক্তা, খাদ্য ও গণবন্টন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প মন্ত্রকের মন্ত্রীরা। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলির সচিবদেরও কমিটির সদস্য রূপে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলির চিহ্নিত কর্মসূচিগুলির আওতায় যে ব্যয় বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে, তার সাহায্যেই এই পরিকল্পনাটি রূপায়িত হবে বলে জানানো হয়েছে। পরিকল্পনার আওতায় যে সমস্ত প্রকল্প ও কর্মসূচির মধ্যে সমন্বয়সাধন করা হবে, তার মধ্যে রয়েছে – কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের কৃষি পরিকাঠামো তহবিল (এআইএফ), কৃষি বিপণন পরিকাঠামো কর্মসূচি (এএমআই), সুসংহত বাগিচা উন্নয়ন মিশন (এমআইডিএইচ) এবং কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত সাব-মিশন। এই সমন্বয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা হবে কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প মন্ত্রকের প্রধানমন্ত্রী অণু খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প কর্মসূচি (পিএমএফএমই) এবং প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্পদ যোজনা (পিএমকেএসওয়াই)। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় উপভোক্তা, খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রকের জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় খাদ্যশস্য বন্টন কর্মসূচি ও ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচিকেও সমন্বয় প্রচেষ্টার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন দানের এক সপ্তাহের মধ্যে গঠন করা হবে জাতীয় পর্যায়ের একটি সমন্বয় কমিটি। আবার, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ১৫ দিনের মধ্যেই জারি করা হবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট রূপরেখাটি। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের ৪৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির এ সম্পর্কিত কর্মসূচিগুলির সঙ্গে প্যাক্স-কে যুক্ত করতে একটি পোর্টালও গড়ে তোলা হবে। অনুমোদিত প্রস্তাবটির রূপায়ণের কাজ শুরু হবে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের ৪৫ দিনের মধ্যে। অর্থাৎ, সমগ্র প্রক্রিয়াটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করার জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা চালানো হবে।
Today’s Cabinet decision marks a special milestone in our quest to strengthen food security and support farmers. The World’s Largest Grain Storage Plan is set to revolutionise our agri-infrastructure, reduce wastage and ensure better prices for farmers. https://t.co/5HDD3RfygO https://t.co/PdjDlqV8NP
— Narendra Modi (@narendramodi) May 31, 2023