পিএমইন্ডিয়া
নয়া দিল্লি, ১১ জুলাই ২০২৬
১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীরা সাক্ষাৎ করেন এবং ‘ভারত-নিউজিল্যান্ড কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ গঠনের ঘোষণা করেন। আগামী চার বছরে যৌথ কর্মসূচি পরিচালনা এবং ভারত-নিউজিল্যান্ড কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি যৌথ কাঠামো হিসেবে প্রধানমন্ত্রীরা ‘২০৩০ সালের রূপরেখা’ (রোডম্যাপ টু ২০৩০) অনুমোদন করেন। নিম্নলিখিত স্তম্ভগুলোতে বর্ণিত ক্ষেত্র ও উদ্যোগসমূহ এই কৌশলগত অংশীদারিত্বের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—তবে এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব কেবল এগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—
স্তম্ভ ১: রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ
আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক অনুষ্ঠানের ফাঁকে বা পাশাপাশি বৈঠকসহ সংশ্লিষ্ট প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক ও পারস্পরিক সফরের আয়োজন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চালানো।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর উচ্চ-পর্যায়ের সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক ও সরকারি বিভাগগুলোর মধ্যে বৈঠক ও পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার করা।
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে নিয়মিত সংসদীয় আদান-প্রদান ও সরকারি সফরকে উৎসাহিত করা।
কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং ‘২০৩০ সালের রূপরেখা’ বাস্তবায়নের কর্মসূচি পরিচালনা ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক এবং নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রকের (আমেরিকা ও এশিয়া বিষয়ক) ডেপুটি সেক্রেটারিদের মধ্যে সচিব পর্যায়ের বার্ষিক বৈঠকের প্রথা সুদৃঢ় করা।
স্তম্ভ ২: প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা
সামরিক মহড়া, বিভিন্ন ইউনিটের (সামুদ্রিক, আকাশ ও স্থল) সফর, স্বল্পমেয়াদী কর্মী বিনিময়, ক্রীড়া বিষয়ক সফর, ডিফেন্স স্টাফ কলেজের মধ্যে বিনিময় এবং উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিরক্ষা আলোচনার মাধ্যমে সামরিক যোগাযোগ ও মিথস্ক্রিয়া অব্যাহত রাখা।
মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকসহ প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা ও সংলাপ জোরদার করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা।
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক ২০২৫ সালের ভারত-নিউজিল্যান্ড সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন শাখার (সার্ভিস) পর্যায়ে নিয়মিত ও সুসংগঠিত প্রতিরক্ষা বিষয়ক যোগাযোগ বজায় রাখা।
সম্প্রতি সম্মত হওয়া ‘সামুদ্রিক সহযোগিতা ব্যবস্থা’ (মেরিটাইম কোঅপারেশন অ্যারেঞ্জমেন্ট), ‘জললেখচিত্র ও নটিক্যাল মানচিত্রাঙ্কন বিষয়ক সহযোগিতা বাস্তবায়ন ব্যবস্থা’ এবং সামুদ্রিক ক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে ‘পারস্পরিক পণ্য পরিবহন সহায়তা ব্যবস্থা’ বাস্তবায়ন করা। সামুদ্রিক সহযোগিতা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে দ্বিপাক্ষিক নৌ-মহড়াসহ বিভিন্ন নৌ-কর্মসূচি পরিচালনা করা। ‘ইন্দো-প্যাসিফিক ওশেনস ইনিশিয়েটিভ’-এর সামুদ্রিক নিরাপত্তা স্তম্ভের আওতায় সামুদ্রিক বিষয়ে সহযোগিতার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক এবং নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রকের নেতৃত্বে একটি বার্ষিক ‘সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংলাপ’ (মেরিটাইম সিকিউরিটি ডায়ালগ) চালু করা।
সন্ত্রাসবাদ দমন(কাউন্টার টেররিজম ) বিষয়ক একটি যৌথ কার্যগোষ্ঠী (জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ) গঠনের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি কার্যকর করা—যার নেতৃত্বে থাকবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক এবং নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রক —এবং পারস্পরিক সম্মতিক্রমে এই যৌথ কার্যগোষ্ঠীর প্রথম সভা আয়োজন করা।
‘ভারত-নিউজিল্যান্ড সাইবার সংলাপ’-এর মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিন্ন অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোতে কাজ করা।
মাদকদ্রব্য, সাইকোট্রপিক পদার্থ, প্রিকারসার কেমিক্যাল (মাদক তৈরির কাঁচামাল) এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর পাচার রোধে সহযোগিতার লক্ষ্যে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য কাজ করা।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সহযোগিতার লক্ষ্যে ভারতের ‘ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি’ (এনআইএ) এবং নিউজিল্যান্ড পুলিশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক আনুষ্ঠানিক করার জন্য কাজ করা।
পরিকাঠামো ব্যবস্থার সক্ষমতা ও সহনশীলতা(রেজিলিয়েন্স) বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ (সিডিআরআই)-এর মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদার করা।
স্তম্ভ ৩: বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য
২০৩০ সালের মধ্যে পণ্য ও পরিষেবার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করে ৭ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার (৩৫,০০০ কোটি রুপি)-এ উন্নীত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য অর্জনে কাজ করা।
‘ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’ (ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট)-র দ্রুত কার্যকরীকরণ ও সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিয়ে যৌথভাবে কাজ করা।
কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং বিশ্বস্ত বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ২০২৪ সালের ‘কাস্টমস সহযোগিতা ব্যবস্থা’ (কাস্টমস কো- অপারেশন অ্যারেঞ্জমেন্ট )-র আওতায় ২০২৫ সালের ‘অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটরস মিউচুয়াল রিকগনিশন অ্যারেঞ্জমেন্ট’ (এইও-এমআরএ) কার্যকর করা।
প্রাথমিক শিল্প ক্ষেত্র (প্রাইমারি ইন্ডাস্ট্রিস)
যৌথ গবেষণা, জ্ঞান আদান-প্রদান, ফসল-পরবর্তী উদ্ভাবন এবং বাজার উন্নয়ন উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে উদ্যানপালন(হর্টিকালচার) বিষয়ক ২০২৫ সালের সহযোগিতা স্মারকটি বাস্তবায়ন করা।
অব্যাহত নীতি-সংলাপ, কারিগরি আদান-প্রদান এবং সর্বোত্তম কর্মপদ্ধতি বিনিময়ের মাধ্যমে বনায়ন সহযোগিতা বিষয়ক ২০২৫ সালের ‘লেটার অফ ইনটেন্ট’ বাস্তবায়ন করা।
কারিগরি ও নীতিগত সহযোগিতাকে এগিয়ে নিতে পশুপালন ও দুগ্ধশিল্প বিষয়ক সহযোগিতা স্মারকটি বাস্তবায়ন করা।
পর্যটন
পর্যটন খাতে উভয় দেশের মধ্যে পর্যটকদের যাতায়াত বৃদ্ধি এবং শিল্প-সহযোগিতা প্রসারের লক্ষ্যে পর্যটন বিষয়ক সমঝোতা স্মারকটি কার্যকর করা।
হালনাগাদকৃত ‘বিমান পরিষেবা চুক্তি’-র আওতায় সরাসরি (নন-স্টপ) ফ্লাইট চালু করতে বিমান সংস্থাগুলোকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে পর্যটন খাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। চতুর্থ স্তম্ভ: জনগণ, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া
দ্বিপাক্ষিক জন-সংযোগ জোরদার করার ক্ষেত্রে অংশীদার হিসেবে প্রবাসী জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করা।
চতুর্থ স্তম্ভ: জনগণ, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া
জনগণের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে অংশীদার হিসেবে প্রবাসীদের সম্পৃক্ত করা।
ক্রীড়া বিষয়ক ‘২০২৫ সমঝোতা স্মারক’ (মেমোরেন্ডাম অফ কোঅপারেশন)-এর বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখা।
ভারতের যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং ‘স্পোর্ট নিউজিল্যান্ড’-এর মধ্যে ক্রীড়া বিষয়ক ‘ভারত-নিউজিল্যান্ড যৌথ কর্মপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করা।
ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতির বিষয়ে বিশেষজ্ঞ-পর্যায়ের মতবিনিময় বা আদান-প্রদানকে সহায়তা করা।
উভয় দেশের সামুদ্রিক শিল্পখাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যে নাবিকদের দক্ষতা সনদের (কম্পিটেন্সি সার্টিফিকেটস) পারস্পরিক স্বীকৃতি জোরদার করার সুযোগ নিয়ে ভারতের বন্দর, জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘ডাইরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিং’ এবং ‘মেরিটাইম নিউজিল্যান্ড’-এর মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রাখা।
ভারতের লোথালের ‘ন্যাশনাল মেরিটাইম হেরিটেজ কমপ্লেক্স’ এবং ‘নিউজিল্যান্ড মেরিটাইম মিউজিয়াম’-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় সহযোগিতাকে উৎসাহিত করা।উভয় দেশের সংস্কৃতির বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা’ বাস্তবায়ন করা।
স্থানীয় সরকারগুলোর মধ্যে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করা।
পঞ্চম স্তম্ভ: শিক্ষা, গবেষণা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের নিজ নিজ শিক্ষা ব্যবস্থা বিষয়ক তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখার সুবিধার্থে উভয় দেশের শিক্ষা মন্ত্রকের মধ্যে ‘শিক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা (২০২৫)’ বাস্তবায়ন করা।
শিক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতার লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব এবং সম্পৃক্ততার সংখ্যা আরও বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালানো।
সৌরশক্তির ব্যবহার প্রসার, অর্থায়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স’-এর সঙ্গে সক্রিয় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জলবায়ু বিষয়ক কার্যক্রম এবং কম-নির্গমনশীল ব্যবস্থায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করা।
টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থায় রূপান্তরকে সহায়তা করার লক্ষ্যে ‘গ্লোবাল বায়োফুয়েলস অ্যালায়েন্স’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া।
কৃষি, জলবায়ু, ডিজিটাল রূপান্তর এবং নতুন ও উদীয়মান প্রযুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতকে উৎসাহিত করা।
প্রস্তুতি, জরুরি সাড়াদান এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে ভারতের ‘ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি’ এবং নিউজিল্যান্ডের ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি’-র মধ্যে একটি সহযোগিতা স্মারক বাস্তবায়ন করা।
ষষ্ঠ স্তম্ভ: আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা
নিয়ম-ভিত্তিক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল বজায় রাখার লক্ষ্যে আসিয়ান-নেতৃত্বাধীন এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ফোরামে মতবিনিময় করা।
‘ইন্দো-প্যাসিফিক ওশেনস ইনিশিয়েটিভ’-এর সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিষয়ক স্তম্ভের আওতায় সুনির্দিষ্ট সহযোগিতার ক্ষেত্র অন্বেষণ করা এবং আন্তর্জাতিক আইন, বিশেষ করে ইউএনসিএলওএস (আনক্লস)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তিতে সহায়তা করা।
জাতিসংঘে সহযোগিতা জোরদার করা এবং সংস্কারকৃত নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের প্রার্থিতাসহ জাতিসংঘের সংস্কার প্রক্রিয়ায় সমর্থন জানানো।
বহুপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় বিভিন্ন পদের জন্য প্রার্থিতার ক্ষেত্রে সম্ভব হলে পারস্পরিক সমর্থন আদান-প্রদান করা।
এটি উল্লেখ করা হচ্ছে যে, ‘ভারত-নিউজিল্যান্ড কৌশলগত অংশীদারিত্ব: রোডম্যাপ টু ২০৩০’ কোনো আর্থিক প্রতিশ্রুতি তৈরি করে না এবং দেশীয় বা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে কোনো আইনত বাধ্যতামূলক অধিকার বা বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না।
**
SC/SB/DM
Held extensive and fruitful talks with PM Luxon in Auckland this morning. His own visit to India last year energised our bilateral partnership and my visit today, the first by an Indian Prime Minister in 4 decades, has added further momentum to the India-New Zealand friendship.… pic.twitter.com/W8bpOfAeeE
— Narendra Modi (@narendramodi) July 11, 2026
The areas which were prominently covered in the talks with PM Luxon include trade, technology and investment linkages. We have also developed a strong framework for cooperation in agriculture, dairy and food processing. Equally important is the emphasis on healthcare and… pic.twitter.com/4iHqYUyR8R
— Narendra Modi (@narendramodi) July 11, 2026
PM Luxon and I firmly believe that the greatest strength of our relationship lies in our people-to-people ties. In that spirit, we will enhance cooperation in education, sports, culture, heritage and creative industries.
— Narendra Modi (@narendramodi) July 11, 2026
At the India-New Zealand business event in Auckland, which I attended with PM Luxon, I told business leaders:
— Narendra Modi (@narendramodi) July 11, 2026
India is not only a market.
India is a launchpad for global growth.
Together, let us take this economic partnership to new heights!@chrisluxonmp pic.twitter.com/8M53Lx47zh
This has been a great year for the India-New Zealand partnership. Earlier this year, our nations concluded a Free Trade Agreement in record time and now, we have elevated our ties to a Strategic Partnership. Next up, we wish to double bilateral trade by 2030! https://t.co/IyR5qpUt2X
— Narendra Modi (@narendramodi) July 11, 2026