Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

‘খেলো ইন্ডিয়া’ সংলাপে অংশগ্রহণ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর

‘খেলো ইন্ডিয়া’ সংলাপে অংশগ্রহণ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর


নয়াদিল্লি, ২৭ আগস্ট ২০২৬

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে খেলো ইন্ডিয়া সংলাপে অংশগ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আয়োজক, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য, মুখ্যমন্ত্রী এবং লক্ষ লক্ষ My Bharat স্বেচ্ছাসেবককে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। ২৯ আগস্ট আসন্ন জাতীয় ক্রীড়া দিবসের কথা উল্লেখ করে, তিনি দেশজুড়ে যুব সম্প্রদায় এবং সমগ্র ক্রীড়া সম্প্রদায়কে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শ্রী মোদী এই বিশেষ দিনে ভারতমাতার মহান সন্তান মেজর ধ্যানচাঁদকেও স্মরণ করেছেন।  

এক শতাব্দী আগে নিউজিল্যান্ডে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হকি দলের ঐতিহাসিক সফরের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক ক্রীড়া সম্পর্ক স্থাপনে মেজর ধ্যানচাঁদের মৌলিক ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। নিউজিল্যান্ডে তার নিজের সাম্প্রতিক সফরে মেজর ধ্যানচাঁদকে শ্রদ্ধা নিবেদনের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “মেজর ধ্যানচাঁদ যে সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, আজ ভারত সেই সম্পর্কের সমৃদ্ধির জন্য ক্রমাগত কাজ করছে।”

সম্প্রতি স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লা থেকে তিনি যে ক্রীড়া ভাবনার উল্লেখ করেছিলেন তার প্রতিফলন ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল পদক জয়ের মধ্যেই ক্রীড়ার সার্থকতা সীমাবদ্ধ নয়।  বিকশিত ভারত গঠনের লক্ষ্যে দেশের ক্রীড়াবিদ এবং যুব শক্তিকে একজোট করার মাধ্যম হিসাবে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সব সময়েই বলে এসেছেন, যারা খেলবে, তারাই প্রস্ফুটিত হবে।

খেলাধুলায় সাফল্যের বিস্তৃত সংজ্ঞা ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক্ষেত্রে সাফল্য ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটায় এবং পারিবারিক গর্ব ও জাতীয় গৌরবের ভিত্তি স্থাপন করে। একজন খেলোয়াড়ের সাফল্য তার স্কুল, জেলা এবং রাজ্যের মর্যাদাকে বাড়ায়, সেই অঞ্চলকে বিশ্ব মানচিত্রে দৃঢ়ভাবে স্থাপন করে৷ 

তাঁর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অলিম্পিকের প্রায় অর্ধেক বিভাগেই দীর্ঘদিন ধরে ভারত অংশগ্রহণ করে না।  ২০১২ সালের অলিম্পিকের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ভারত মাত্র ১৩টি বিভাগে অংশগ্রহণ করেছিল। ২০টিরও বেশি বিভাগে অংশগ্রহণ না করে সেগুলিতে পদক জেতার সম্ভাবনা ভারত হারিয়েছিল। পদকের সংখ্যা বাড়াতে, অন্য খেলাগুলিতেও ভারতকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।  
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুদীর্ঘ উপকূলরেখা এবং পার্বত্য অঞ্চল থাকা সত্ত্বেও  সার্ফিং, স্পোর্টস ক্লাইম্বিং এবং শীতকালীন ক্রীড়াগুলির ক্ষেত্রে ভারতকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি সারা দেশে বিভিন্ন জেলায় বিশেষায়িত ক্রীড়া পরিমণ্ডলের অন্বেষণ ও বিকাশের জন্য সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি গ্রহণের  আহ্বান জানান।
২০৩৬ অলিম্পিকের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিস্তৃত পরিসরের বিভিন্ন ক্রীড়ায় যোগ্যতা অর্জনে সক্ষম ক্রীড়াবিদদের এখনই চিহ্নিত করে তাঁদের প্রস্তুত করার জরুরি প্রয়োজন রয়েছে। তিনি ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সি শিশুদের লক্ষ্য করে একটি বৃহৎ জাতীয় ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ কর্মসূচি চালুর কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রতিভা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ক্রীড়ায় শিশুটির আগ্রহের পাশাপাশি সেই নির্দিষ্ট ক্রীড়ার উপযোগী শারীরিক সক্ষমতাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে। শ্রী মোদি বলেন, “এর জন্য সরকারের কাছ থেকে যে ধরনের সহায়তার প্রয়োজন হবে, সরকার তাতে আপনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাবে।”

একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী একটি আধুনিক ক্রীড়া-পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রতি সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বিশেষায়িত ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং উন্নত প্রশিক্ষণকেন্দ্র গড়ে তোলার যে উদ্যোগ সরকার নিয়েছে, তার কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, ক্রীড়াবিজ্ঞান, প্রশিক্ষণ ও কোচিংয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বের সেরা পদ্ধতিগুলি গ্রহণ ও বিনিময়ের লক্ষ্যে সরকার আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও সক্রিয়ভাবে বাড়িয়ে চলেছে। শ্রী মোদি বলেন, “দেশে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে প্রতিভা চিহ্নিত করা থেকে শুরু করে তাকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে সহায়তা পাওয়া যাবে।”

ক্রীড়াবিদদের বিকাশের প্রতি সরকারের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খেলো ইন্ডিয়া সংবাদ’ কেবল একটি আলোচনা নয়; দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ রূপরেখা সক্রিয়ভাবে নির্ধারণের এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। তিনি যুবসমাজকে এই আলোচনার মাধ্যমে তাঁদের ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষাকে জাতীয় স্বপ্নের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন যে প্রতিভার বিকাশ ও ক্রীড়া-প্রশাসন সম্পর্কে তাঁদের মতামত সরাসরি নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। যুবশক্তির এই নতুন নতুন ভাবনাই ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নের শক্তিতে পরিণত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

সমাজের ওপর ক্রীড়ার গভীর ইতিবাচক প্রভাবের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা একটি সুস্থ সমাজ, শক্তিশালী পারিবারিক কাঠামো এবং উন্নত কর্মসংস্কৃতি গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ক্রীড়াক্ষেত্র মানুষকে শুধু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার শিক্ষা দেয় না, বরং ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়ে দৃঢ়তার সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর শিক্ষাও দেয়। শ্রী মোদির কথায়, “খেলাধুলো আমাদের শুধু চ্যাম্পিয়ন হতে শেখায় না, আরও ভালো প্রতিযোগী হতেও শেখায়।”

খেলাধুলোর অসাধারণ পরিবর্তনশীল শক্তির প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্যারা-অ্যাথলিটদের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জীবনের প্রতিকূলতা ও পরিস্থিতি সম্পর্কে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গভীর। তাঁর মতে, বিশেষভাবে সক্ষম কোনো ক্রীড়াবিদ যখন সাফল্য অর্জন করেন, তখন তা শুধু তাঁর নিজের নয়, পুরো পরিবারের মনোবলকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। যেসব বাবা-মা ও ভাই-বোন তাঁদের সংগ্রামের প্রাথমিক দিনগুলিতে পাশে থেকেছেন, তাঁদের সাহস ও স্বপ্নও সেই সাফল্যের মাধ্যমে আরও উজ্জীবিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী তিরন্দাজ শীতল, দুইবারের প্যারালিম্পিক পদকজয়ী অবনী লেখারা, সুমিত অন্তিল, নীতেশ কুমার এবং ঝান্ডু কুমারের মতো প্যারা-অ্যাথলিটদের অসাধারণ সাফল্যের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজেও এর থেকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। তাঁদের জয় তাঁদের নিজেদের রাজ্যের পাশাপাশি সমগ্র দেশের জন্যও অপরিসীম গর্বের বিষয়। শ্রী মোদি বলেন, “আমি যখন অবনীর সঙ্গে দেখা করি, তখন অত্যন্ত গর্ব অনুভব করি; এই ধরনের প্রত্যেক সহযোদ্ধাই আমাদের অনুপ্রাণিত করেন।”

উন্নত জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করার এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে ক্রীড়াকে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শতায়ু কিংবদন্তি অ্যাথলিট ফৌজা সিংয়ের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, আজীবন শারীরিক সক্ষমতা ও ক্রীড়ার প্রতি অদম্য ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত ফৌজা সিং। তাঁর জীবন দেখিয়ে দেয় যে শারীরিক সক্রিয়তা এবং সামগ্রিক সুস্থতার মধ্যে কতটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। শ্রী মোদি বলেন, “ক্রীড়া এবং জীবনযাত্রার মান যে পরস্পরের সঙ্গে কত গভীরভাবে যুক্ত, ফৌজা সিং-এর জীবন তার এক উজ্জ্বল নিদর্শন।”

মাদকাসক্তির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক চ্যালেঞ্জের কথাও প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ক্রীড়ার সঙ্গে প্রকৃত অর্থে যুক্ত থাকা মানুষের মধ্যে এমন এক দৃঢ় মানসিক শক্তি তৈরি করে, যা তাদের মাদক থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। যুবসমাজের মধ্যে আসক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ক্রীড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। 
ভারতে ক্রীড়াকে একটি অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে দেখেও প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সমাজে একটি সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ঘটছে—মানুষ এখন সক্রিয়ভাবে ট্রায়াথলন, ৫ কিলোমিটার ও ১০ কিলোমিটার দৌড় এবং হাইরক্সের মতো ফিটনেস চ্যালেঞ্জে অংশ নিচ্ছেন। হেডস্ট্যান্ডের মতো দক্ষতা অর্জন থেকে শুরু করে অবসরে পিকলবল খেলা—খেলাধুলো ধীরে ধীরে পড়াশোনা ও পেশাগত জীবনের পাশাপাশি মানুষের দৈনন্দিন জীবনেরও অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠছে। শ্রী মোদি বলেন, “এই পরিবর্তন, এই রূপান্তরের কারণেই ভারতের ক্রীড়া ভবিষ্যৎ নিয়েও মানুষের আস্থা বাড়ছে।”

তৃণমূল স্তরে ক্রীড়ার সঙ্গে মানুষের সংযোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত ক্রীড়া সংস্কৃতি তখনই গড়ে উঠবে, যখন বিদ্যালয়গুলি শারীরশিক্ষাকে নিছক সহ-পাঠক্রমিক কার্যকলাপ হিসেবে না দেখে জীবনের একটি মূল উপাদান হিসেবে গুরুত্ব দেবে। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়াকে গুরুত্ব দেওয়া হলে দেশের প্রতিভার পরিসর যেমন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে, তেমনই তরুণ ক্রীড়াবিদরা তাঁদের পরিবারের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবেন। শ্রী মোদি বলেন, “স্ক্রিনের চেয়ে স্পোর্টস সেন্টার বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্লেস্টেশনের চেয়ে খেলার মাঠ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

ভারতের যুবসমাজের সক্ষমতার ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাঠে হোক বা সমাজে—তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণই দেশের প্রকৃত শক্তি। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন ধরনের ক্রীড়া সরঞ্জামের নকশা, উন্নত ক্রীড়া প্রযুক্তি, স্পোর্টস মেডিসিন, পুষ্টিবিজ্ঞান, ক্রীড়া-মনোবিজ্ঞান এবং বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। 

https://x.com/narendramodi/status/2092853135568212248?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2092853135568212248%7Ctwgr%5E1f3786b96c1d5e2dcb46fc516f9e1434c695d2ce%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2303701reg%3D48lang%3D2

https://x.com/PMOIndia/status/2092854145913106663?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2092854145913106663%7Ctwgr%5E1f3786b96c1d5e2dcb46fc516f9e1434c695d2ce%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2303701reg%3D48lang%3D2

https://x.com/PMOIndia/status/2092855548840657101?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2092855548840657101%7Ctwgr%5E1f3786b96c1d5e2dcb46fc516f9e1434c695d2ce%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2303701reg%3D48lang%3D2

https://x.com/PMOIndia/status/2092857050888012274?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2092857050888012274%7Ctwgr%5E1f3786b96c1d5e2dcb46fc516f9e1434c695d2ce%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2303701reg%3D48lang%3D2

https://x.com/PMOIndia/status/2092858854786908662?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2092858854786908662%7Ctwgr%5E1f3786b96c1d5e2dcb46fc516f9e1434c695d2ce%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasePage.aspx%3FPRID%3D2303701reg%3D48lang%3D2

 

 

 

SC/SD/DM.