পিএমইন্ডিয়া
নয়াদিল্লি, ০১ অক্টোবর, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (ইউপিএসসি) শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। ভাষণে এই শতবর্ষের গভীর ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, এই ১০০ বছরের উদযাপন আসলে লক্ষ লক্ষ যুবকের বিশাল আকাঙ্ক্ষা এবং প্রতিটি ভারতীয়র এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি অটল আস্থারই এক উৎসব। প্রজন্ম, সরকার, প্রযুক্তি এবং পাঠ্যক্রমের পরিবর্তনের মধ্যেও এই সংস্থার দীর্ঘস্থায়ী বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশংসা করে তিনি একটি স্মারক ডাকটিকিট, একটি বিশেষ মুদ্রা এবং ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায়ের সংকলন প্রকাশ করেন।
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে যে বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সর্দার প্যাটেল এমন এক অপরিহার্য ‘স্টিলের কাঠামো’ বা প্রশাসনিক ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন যা কেবল দেশকে স্বাধীন রাখতেই নয়, বরং নবগঠিত রাষ্ট্রকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করার জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। স্বাধীন ভারতের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানটিকে রূপান্তরিত ও শক্তিশালী করার জন্য তিনি সর্দার প্যাটেলের প্রশংসা করেন। শ্রী মোদী বলেন, “জাতি পুনর্গঠনের জন্য যে ‘স্টিলের কাঠামো’র প্রয়োজন ছিল, তা সর্দার প্যাটেলই প্রদান করেছিলেন।”
১৯২৬ সালে ব্রিটিশ আমলে এই প্রতিষ্ঠানের সূচনা এবং স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে এর বিবর্তনের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, এই ব্যবস্থাটি সফলভাবে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন পূরণের দিকে তার মনোযোগ নিবদ্ধ করেছে। তিনি স্বীকার করেন যে, ইউপিএসসি তার ঐতিহাসিক দায়িত্ব চমৎকারভাবে পালন করলেও, এখন দেশের জন্য অপেক্ষমান পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ২৫ বছরের দিকেই দৃঢ়ভাবে মনোযোগ দিতে হবে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “তাই, আজ আমি আমার আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু এই বিষয়ের ওপরই রাখব।”
‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে নিয়োগ কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, আজ যাঁরা নিয়োগপ্রাপ্ত হচ্ছেন, তাঁরা একই সঙ্গে দেশের ভবিষ্যতের প্রধান রূপকার এবং প্রধান সুবিধাভোগী হিসেবে কাজ করবেন। তিনি নির্দেশ দেন যে, প্রতিটি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অবশ্যই জাতি ও নাগরিককে অগ্রাধিকার দেওয়ার দ্বৈত মানদণ্ডের ভিত্তিতে কঠোরভাবে যাচাই করতে হবে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “যখন এই মানসিকতাসম্পন্ন প্রার্থীরা নির্বাচিত হন, তখন জাতীয় লক্ষ্য অর্জন অনেক বেশি স্বাভাবিক ও সহজ হয়ে ওঠে।” ২০৪৭ সালের সম্পূর্ণ ভিন্ন আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন যে, ক্রমবর্ধমান নগরায়ন এবং গ্রাম ও শহরের মধ্যকার ব্যবধান কমে আসার ফলে তরুণদের প্রত্যাশা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে। তিনি সতর্ক করেন যে, ‘ইনস্ট্যান্ট-ডেলিভারি’ বা তাৎক্ষণিক পরিষেবার এই যুগে যেখানে নাগরিকরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত দ্রুত ও তাৎক্ষণিক সমাধান প্রত্যাশা করে—সেখানে প্রথাগত পরিষেবা প্রদানের পদ্ধতিগুলিরও পরিবর্তন ও আধুনিকায়ন প্রয়োজন। শ্রী মোদী বলেন, “মানসিকতার এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের সিভিল সার্ভিস বা প্রশাসনিক ব্যবস্থাতেও নতুন পরিবর্তন আনা জরুরি।”
নিয়োগ প্রক্রিয়ার দর্শনে মৌলিক পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, নিযুক্তির মানদণ্ডগুলি যেন কেবল প্রাতিষ্ঠানিক বা পাঠ্যপুস্তক-ভিত্তিক জ্ঞান যাচাই না করে; বরং প্রার্থীদের অন্তর্নিহিত অনুপ্রেরণা বা উদ্দেশ্যও বিবেচনা করে। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে যে, প্রার্থীরা কেবল একটি সরকারি পদ বা ক্ষমতার লোভে নয়, বরং প্রকৃত জনসেবার ব্রত নিয়ে এগিয়ে আসছেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, সঠিক মানসিকতা ও অনুপ্রেরণা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নির্বাচন করলে দ্রুত পরিবর্তনশীল জন-আকাঙ্ক্ষার সাথে প্রশাসনের মানিয়ে নেওয়া অনেক সহজ হয়ে ওঠে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সাথে বলেন, “তাই ভবিষ্যতের প্রয়োজনে আমাদের নিয়োগের মানদণ্ড এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে।”
নবনিযুক্ত সিভিল সার্ভেন্টদের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত আদান-প্রদানের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন যে, প্রশিক্ষণরত আধিকারিকদের উচিত তাঁদের জনসেবার মূল অনুপ্রেরণা বা উদ্দেশ্যগুলি লিখে রাখা। ভবিষ্যতে যখন কাজের চাপ ও দায়িত্বের পাহাড় জমবে, তখন এই লিখিত বিষয়গুলি তাঁদের আত্ম-মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তিনি ইউপিএসসি এবং রাজ্য কমিশনগুলিকে প্রার্থীদের জন্য অনুরূপ আত্ম-বিশ্লেষণমূলক ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান। শ্রী মোদী বলেন, “ইউপিএসসি এবং রাজ্য কমিশনগুলিও এ ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।”
অতীতের সেই সেকেলে ‘মাই-বাপ’ (শাসক বা অভিভাবকসুলভ) মানসিকতা পরিহার করে প্রধানমন্ত্রী ‘নাগরিক দেবো ভব’ অর্থাৎ নাগরিককে দেবতার আসনে বসানোর মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে এক আধুনিক প্রশাসনিক যুগের কথা বলেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, নাগরিক পরিষেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়াই হ’ল একবিংশ শতাব্দীর শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “এর অর্থ হ’ল, দেশের নাগরিক আমাদের কাছে দেবতার চেয়ে কম কিছু নন।”
আধুনিক প্রশাসনের জন্য নতুন কর্মসংস্কৃতির সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান যে, একবিংশ শতাব্দীর ভারত সম্পূর্ণ নতুন এক কর্ম-দর্শন নিয়ে এগিয়ে চলেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই নতুন যুগের মৌলিক নীতিগুলি মূলত তিনটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে জনকল্যাণ, সক্রিয়তা এবং সুশাসন।
এই মৌলিক নীতিগুলির ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী দাবি জানান যে, জাতীয় ও রাজ্য – উভয় স্তরেই এমন পেশাদারদের নিয়োগের জন্য নিযুক্তির প্রক্রিয়া অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সাজাতে হবে, যাঁরা সম্ভাব্য সমস্যাগুলি আগে থেকেই আঁচ করতে পারেন এবং কোনো অপ্রয়োজনীয় চাপ বা প্রভাব ছাড়াই কাজ করতে সক্ষম। তিনি এমন সংবেদনশীল ও সহানুভূতিশীল সরকারি আধিকারিকদের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যারা উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজে বের করবেন, নাগরিকদের জীবনযাত্রাকে সহজতর করার উদ্যোগ নেবেন এবং জনজীবনের উপর বিভিন্ন আইনের প্রভাব গভীরভাবে পর্যালোচনা করবেন।
সমাজে প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেন যে, ভবিষ্যৎ সরকারি আধিকারিকদের তথ্য-যুদ্ধ, ডিপফেক, অ্যালগরিদমিক পক্ষপাত এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের মতো সম্পূর্ণ নতুন সব পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। তিনি নিয়োগকারী সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেন যেন তারা প্রার্থীদের দূরদর্শিতা এবং জটিল সমস্যা সমাধানের দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেয়।
প্রশাসনিক সংস্কারের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার মান বজায় রেখেই পরীক্ষার সময়সীমা বা চক্র সংক্ষিপ্ত করার লক্ষ্যে পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থাগুলিকে উদ্যোগী হতে হবে, যা দেশের সামগ্রিক সংস্কার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘস্থায়ী পরীক্ষা প্রক্রিয়া পরিবারগুলির উপর কোচিং ফি, বাড়ি ভাড়া ও যাতায়াত খরচের মতো ব্যাপক আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দেয়; তাই পরীক্ষার সময়সীমা কমিয়ে আনা কেবল প্রশাসনিক বিষয় নয়, বরং ন্যায়বিচারেরও একটি মৌলিক প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সুশৃঙ্খল প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সম্মেলনের প্রশংসা করেন, যেখানে বিভিন্ন রাজ্যের কমিশনগুলি তাদের সেরা কর্মপদ্ধতি বা ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। তবে, তিনি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পর্যালোচনা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এই মঞ্চগুলির মান আরও উন্নত করার আহ্বান জানান। তিনি পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কার্যপদ্ধতিতে সামঞ্জস্য আনার পক্ষে মত দেন, যাতে সারা দেশের অংশগ্রহণকারী তরুণরা স্বস্তি পান।
নিরন্তর প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশের অপরিহার্যতার কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন যে, ইউপিএসসি এবং রাজ্যের নিয়োগকারী কমিশন – উভয়কেই তাদের নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর অবিরাম মনোযোগ দিতে হবে। তিনি সরকারি আধিকারিকদের জন্য জাতীয় মিশনের আওতায় ইতিমধ্যে গড়ে ওঠা ডিজিটাল পরিকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের সুপারিশ করেন। শ্রী মোদী উল্লেখ করেন যে, ‘মিশন কর্মযোগী’-র আওতায় তৈরি ‘আই-গট’ (i-GOT) প্ল্যাটফর্মটি এক্ষেত্রে কাজে লাগানো যেতে পারে।
আধিকারিকদের তাঁদের জাতীয় দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, তাঁদের মূল লক্ষ্যটি তরুণ শক্তিকে বলিষ্ঠ জাতীয় শক্তিতে রূপান্তরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তিনি উল্লেখ করেন কীভাবে সুযোগ-সুবিধা এখন আর কেবল শহরের অভিজাত শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা সফলভাবে গ্রামীণ এলাকার মেধাবী তরুণদের কাছেও পৌঁছেছে। তিনি গর্বের সঙ্গে সিভিল সার্ভিসে মহিলা প্রার্থীদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যা বৃদ্ধির কথা তুলে ধরেন ১৯৫২ সালে যা ছিল মাত্র ৩ শতাংশ, তা বর্তমানে ৩০ শতাংশেরও বেশি। পাশাপাশি, ২০১৪ সালের পর থেকে ইউপিএসসি-র চারজন চেয়ারপারসনের মধ্যে তিনজনই মহিলা – এই বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেছেন।
১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠানটির ৫০তম বার্ষিকীর পর থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীর সংখ্যায় যে বিপুল বৃদ্ধি ঘটেছে, তার দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী জানান যে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৫ গুণ বেড়েছে। এটি একটি বিশাল জাতীয় মেধা-ভাণ্ডারের প্রতিনিধিত্ব করে, যা নিয়োগকারীদের ওপর অত্যন্ত বড় দায়িত্ব অর্পণ করে। তিনি কমিশনকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, তাঁরা কেবল প্রার্থীই বাছাই করছেন না, বরং এমন ব্যক্তিদের বেছে নিচ্ছেন যারা তৃণমূল স্তরে সরকারের মুখ ও প্রতিনিধি হয়ে উঠবেন।
প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় শতকের যাত্রাপথের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী কমিশনকে আহ্বান জানান যেন তারা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের কার্যক্রমকে জোরদারভাবে উন্নত করে এবং একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের মৌলিক বিশ্বাসযোগ্যতা অটুট রাখে। তিনি বলেন, ইউপিএসসি-র মূল পরিচয়—অর্থাৎ এর স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা, মেধা-ভিত্তিক মূল্যায়ন, গোপনীয়তা রক্ষা এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়া কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ হওয়া চলবে না।
পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী নতুন শতকেও এই প্রতিষ্ঠানটি সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে যাবে এবং সময়ের প্রয়োজনে নিজেকে মানিয়ে নেবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।
https://x.com/narendramodi/status/2105537399480791417?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2105537399480791417%7Ctwgr%5Efdcbf7c5d4b16da4fad8b1f0648d8f77d567b5ed%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasepage.aspx%3FPRID%3D2317531reg%3D48lang%3D1
https://x.com/PMOIndia/status/2105538597994856702?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2105538597994856702%7Ctwgr%5Efdcbf7c5d4b16da4fad8b1f0648d8f77d567b5ed%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasepage.aspx%3FPRID%3D2317531reg%3D48lang%3D1
https://x.com/PMOIndia/status/2105540210159501528?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2105540210159501528%7Ctwgr%5Efdcbf7c5d4b16da4fad8b1f0648d8f77d567b5ed%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasepage.aspx%3FPRID%3D2317531reg%3D48lang%3D1
https://x.com/PMOIndia/status/2105540981466755217?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2105540981466755217%7Ctwgr%5Efdcbf7c5d4b16da4fad8b1f0648d8f77d567b5ed%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasepage.aspx%3FPRID%3D2317531reg%3D48lang%3D1
https://x.com/PMOIndia/status/2105541397294256443?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2105541397294256443%7Ctwgr%5Efdcbf7c5d4b16da4fad8b1f0648d8f77d567b5ed%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasepage.aspx%3FPRID%3D2317531reg%3D48lang%3D1
https://x.com/PMOIndia/status/2105541673342415295?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2105541673342415295%7Ctwgr%5Efdcbf7c5d4b16da4fad8b1f0648d8f77d567b5ed%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.pib.gov.in%2FPressReleasepage.aspx%3FPRID%3D2317531reg%3D48lang%3D1
SC/AC/SB
100 years of UPSC is a proud milestone. For a century, it has played an important role in administration and serving people. https://t.co/8mLKPv4jXU
— Narendra Modi (@narendramodi) October 1, 2026
आज का ये दिन, UPSC के 100 वर्षों के उत्सव के साथ ही ये एक विरासत का भी उत्सव है... ये उत्सव, उस आकांक्षा का है... जिसे हर वर्ष लाखों-लाख युवा जीते हैं।
— PMO India (@PMOIndia) October 1, 2026
ये उत्सव, उस विश्वास का है... जो हर भारतवासी का इस संस्था पर है: PM @narendramodi
हमें दो कसौटियों को हमेशा याद रखना है।
— PMO India (@PMOIndia) October 1, 2026
एक - Nation First.
दूसरी - Citizen First: PM @narendramodi
हमें ऐसे युवाओं को Public Services में लाना होगा, जो Public Office से नहीं, Public Service से आकर्षित हों।
— PMO India (@PMOIndia) October 1, 2026
इसलिए जरूरी है कि Recruitment की परीक्षा... सिर्फ यह न परखे कि Candidate कितना जानता है।
बल्कि वो यह भी देखे कि... वह युवा Civil Services में आना क्यों चाहता है: PM…
हमारा मंत्र है... नागरिक देवो भव।
— PMO India (@PMOIndia) October 1, 2026
यानि देश का नागरिक हमारे लिए किसी देव से कम नहीं है।
हमारे लिए नागरिक की सेवा सर्वोपरि है: PM @narendramodi
आज 21वीं सदी का भारत, एक नई कार्य-संस्कृति के साथ आगे बढ़ रहा है।
— PMO India (@PMOIndia) October 1, 2026
इसका मूल सिद्धांत है... Pro-People, Pro-Active, Good Governance: PM @narendramodi