পিএমইন্ডিয়া
আমার মন্ত্রী পরিষদের সাথি এবং সকল সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ, আপনারা সকলে উঠে দাঁড়িয়ে আমাকে সম্মান জানিয়েছেন। কিন্তু আমার মতে, কোনও একজন ব্যক্তি যদি এই সম্মানের আধিকারী হন, তিনি হলে বাবাসাহেব আম্বেদকর। সেজন্য আপনাদের প্রদর্শিত এই সম্মান আমি এই মহাপুরুষের চরণে সমর্পণ করছি।
কিছুদিন আগেই আমি ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠানে একটি বিষয় উল্লেখ করেছিলাম। আমি বলেছিলাম যে, বাবাসাহেব আম্বেদকর আমাদের সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু, স্বাধীনতার পর ৬০ বছর ধরে আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিজেদের অধিকার নিয়ে আলোচনা করেছি। দেশের যেখানেই যাবেন, দেখবেন অধিকার নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আগামী ২৬ জানুয়ারি’তে আমরা কি আমাদের কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করতে পারি? এই প্রস্তাব আমি ‘মন কী বাত’-এ রেখেছিলাম। কিন্তু, আজ আমাকে স্বীকার করতে হবে, মাথা নত করে স্বীকার করতে হবে যে, এখানে এই সভাগৃহে উপস্থিত মানুষেরা কেবল কর্তব্যের আলোচনা নয়, কর্তব্য করে দেখিয়েছেন। আপনারা অধিকার নিয়ে আলোচনা করতে পারেন, কিন্তু এর উপরে উঠে আপনারা কর্তব্যের পথ বেছে নিয়েছেন, আর আজ আত্মসম্মানের সঙ্গে আত্মনির্ভর হয়ে এখানে এসে পৌঁছেছেন। এই ঘটনায় বাবাসাহেব আম্বেদকরের আত্মাই হয়তো সবচাইতে বেশি আনন্দ পেয়েছেন।
এই সভাঘরে যদি কেবলই রাজনীতিবিদদের ভিড় হতো, তপশিলি জাতি, উপজাতি এবং আমার মতো অনগ্রসর শ্রেনীর মানুষের ভিড় হতো, তা হলে বাবাসাহেবের আত্মা যতটা সন্তুষ্ট হতেন, আজ তার থেকে বেশি হবেন। কারণ, বাবাসাহেব আমাদের কী শিখিয়েছেন? তিনি যা শিখিয়েছেন, আপনারা সেই পথই বেছে নিয়েছেন। এই সভাঘরে সেই মানুষেরা রয়েছেন, যাঁরা প্রতিবছর সরকারের রাজকোষে হাজার হাজার কোটি টাকা কর দেন। পাশাপাশি, লক্ষ লক্ষ নবীন প্রজন্মের মানুষকে রোজগারের ব্যবস্থা দেন। এরা সরকারের রাজকোষ পূর্ণ করার পাশাপাশি গরীবদের পেটও ভরে।
এখানে আপনাদের মাঝে এসে আপনাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সৌভাগ্য হল, আমি মিলিন্দজী এবং সকল সঙ্গীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমাকে বলা হয়েছে, এখানে যত প্রতিনিধি এসেছেন, প্রত্যেকে নিজের পকেট থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ‘ডেলিগেশন ফি’ দিয়ে এখানে এসেছেন, নিজের খরচে এখানকার হোটেলে থাকছেন। আমরা জানি দেশে কেমন সময় চলছে, কাউকে আমার কথা বললে জিজ্ঞেস করে, কী দেবে? সেজন্যই বলি, প্রচলিত চিন্তাভাবনা পাল্টাতে আমরা বাধ্য হবো, কারণ আপনারা এমনি কিছু করে দেখিয়েছেন, যা নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করবে।
আপনাদের এই সম্মেলন দশ বছরে পড়লো, আর আমরা এ বছরই আনন্দের সঙ্গে বাবাসাহেব আম্বেদকরের ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালন করছি। বাবাসাহেব’কে আমরা সংবিধান প্রণেতারূপে বেশি জানি, কিন্তু অর্থনীতিবিদরূপে তাঁর পরিচয় সম্পর্কে এতটা অবহিত নই। কিন্তু, তাঁর সৃষ্টিকর্ম খতিয়ে দেখলে তাঁর কাছে আমরা ভারতের আর্থিক সমস্যাগুলির সমাধান খুঁজে পাই।
কখনও আমি ভাবি, যে সময়ে দাঁড়িয়ে বাবাসাহেব রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কল্পনা করেছিলেন, স্বাধীন ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তাঁরই পরিকল্পনার ফসল। কিন্তু, দুঃখ হয়, কোনও দলিতের ঋণের প্রয়োজন হলে জায়গায় জায়গায় মাথা খুঁড়তে হয়। এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। এদেশে এত বড় সংখ্যার মানুষকে এহেন বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হয়। সমাজের একটা অংশ শীত-গ্রীষ্ম কাকে বলে তা টের পান না, খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের তলায় কাঁকড় পড়লে কেমন লাগে সেটা জানেন না, তাঁরা সাজানো অবস্থার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু এখানে যাঁরা আছেন, তাঁরা জীবনে সকল কষ্ট সহ্য করেছেন, সকল অপমান সহ্য করেছেন, সকল প্রকার সমস্যার বাধা পেরিয়ে সংঘর্ষ করতে করতে নিজেকে তৈরি করেছেন, এর শক্তি কত তা আমি বুঝতে পারি। লোহা মূল্যবান, কিন্তু ইস্পাতের মূল্য বেশি কারণ তা বিশেষ প্রক্রিয়াজাত।
আপনারা আত্মনির্ভর এবং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মানুষ। তিন হাজারেরও বেশি দলিত স্বউদ্যোগী এই সংস্থার সদস্য। কিন্তু আমি মিলিন্দ’কে বলছিলাম, আমি ওঁর নাম ধরে ডাকছি বলে কিছু মনে করবেন না, ওঁকে আমি ছাত্রাবস্থা থেকে জানি। আমি তাঁর কাছে আপনাদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম।
কল্পনা বোনের নেতৃত্বে ৩০০ মহিলা স্বউদ্যোগীর একটি ইউনিট গড়ে উঠেছে। এই তো এখন একজন কর্ণাটক কন্যাকে সম্মানিত করেছি। যাঁরা পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করেন, প্যারিসে আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলন হয়, পথ দেখান কর্ণাটকের এক দলিত কন্যা। একথা আমরা সকলকে না জানালে কেমন করে চলবে? আমি রতিভাই’কে ভালোভাবে জানি, আমার ভাবনগরে এই মানুষটি কিভাবে জীবনের পথে এগিয়েছেন, তা আমি খুব ভালোভাবে জানি। আমাদের সমাজের এই শক্তি রয়েছে।
কারও কারও মনে হতে পারে যে, এটি কেবলই একটি আর্থিক এবং ব্যবসায়িক জগতের আলোচনার বিষয়। আমি সেখান থেকে একটু সরে কথা বলতে চাই, এই সমস্ত ঘটনার একটি সামাজিক স্তম্ভ রয়েছে। আর আমি চাই, দেশ এদিকে ফিরে তাকাক। আমাকে বলা হয়েছে যে, এই সভাঘরে সকল প্রতিনিধিদের স্থান সংকুলান হয়নি। আরও সাড়ে চারশো নবীন প্রজন্মের মানুষ অন্য সভাগৃহে বসে আমার কথা শুনছেন, আমি তাঁদেরকেও সেলাম জানাই।
কখনও কিছু সংবাদ শুনে আমাদের মনে হতাশা ছেয়ে যায়, মানুষ ভাবে বেঁচে থাকা নিরর্থক। এখন আমি নিঃসঙ্গ, আর কী করার আছে। অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। এমনকি, সম্পন্ন ঘরের ছেলেমেয়েরাও এরকম আত্মঘাতী হয়ে ওঠেন। আমি আজ এই সভাঘরে দাঁড়িয়ে বলছি, যাঁর মন এরকম হতাশাগ্রস্ত হয়ে উঠবে আত্মনিধনের আগে একবার কল্পনা সরোজ’কে ফোন করবেন। খুব কম মানুষই হয়তো জানেন যে, কল্পনা তাঁর জীবন কোথা থেকে কোথায় নিয়ে এসেছেন! কত সংকটের মোকাবিলা করেছেন! জীবন আর মৃত্যুর মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার সময় এলে তিনি জীবনকেই বেছে নিয়েছিলেন। আর আজ তিনি আমাদের সামনে সগর্বে বসে আছেন। অর্থাৎ, হতাশার আবহেও বাঁচার আশা জাগানোর সামর্থ্য এই সমাজের রয়েছে। সেই শক্তিকে চিনতে পারা, সেই শক্তিকে অবলম্বন করে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা, অর্থনৈতিক শক্তি থেকেও অনেক সময় মানসিক শক্তি অনেক জোরালো হয়। যে সামাজিক কারণগুলি শতাব্দীর পর শতাব্দী কাল ধরে আমাদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে, সেগুলিকেই আজ সুযোগে রূপান্তরিত করলে তা সমাজকে কয়েক শতাব্দী প্রাচীন সংকটসমূহ থেকে তুলে আনার ক্ষমতায় পরিণত হতে পারে। আর সেজন্যই এ ধরনের শক্তিগুলিকে আমাদের চিনতে হবে।
সম্প্রতি সরকার প্রথম প্রজন্মের স্বউদ্যোগীদের জন্য ‘ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড’ গড়ে তুলেছে। মূলত, তপশিলি জাতি ও তপশিলি উপজাতিদের জন্য। কারণ, তাঁদের বংশানুক্রমে স্বউদ্যোগী হওয়ার সুযোগ কম। তাঁদের বাবা-মা ও পূর্বজরা হয়তো মজুরি করে দিন কাটিয়েছেন। ব্যাঙ্কগুলিকেও আমরা বলেছি, আপনারা ‘ব্রাউন ফিল্ড প্রোজেক্ট’গুলিকে ঋণ দিতে আগ্রহ দেখান, আমরা চাই আপনারা ‘গ্রিন ফিল্ড’কেও ঋণ দিন। সেখান থেকে নতুন শক্তি উঠে আসবে, নবীন প্রজন্মের স্বউদ্যোগীরা উঠে আসবেন।
সরকারের মুদ্রা যোজনা বা পি এম আই বিগত ৭-৮ মাস আগে চালু হয়েছে। ইতিমধ্যেই এর মাধ্যমে প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষকে কোনও রকম গ্যারান্টি ছাড়াই ঋণদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ঋণ ইতিমধ্যেই দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কাঁরা এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন? অধিকাংশ দলিত, ও বি সি, এস টি এবং মহিলারা – যাঁরা ছোট ছোট ব্যবসায় নিয়োজিত। কিন্তু, তাঁরা নিজেদের ব্যবসাকে আরও বাড়াতে চান। এঁদের ব্যবসায় একজন বা দু’জন কর্মচারী আগে থেকেই ছিল। এভাবেই গোটা দেশে এ ধরনের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা প্রায় ১৪ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু, এঁরা কখনও কোনও ব্যাঙ্কের ঋণ পাননি। ৩০০ জনের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান দিতে পারলেই এতদিন ব্যাঙ্ক ঋণ দিত। কিন্তু, একটি গ্রামের ১০ জন মানুষ ছোটখাটো ব্যবসা করে ৫০ জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন, তাঁদের ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাওয়ার কোনও উপায় ছিল না। আমার মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের হাত মজবুত করার চেষ্টা করেছি।
সংযুক্তিকরণ, আর্থিক সংযুক্তিকরণ, আমাদের দেশে কখনও বিতর্ক হয় যে, আর্থিক সংযুক্তিকরণের এই মোহ দেশের অর্থনীতির বোঝা হয়ে উঠছে। আমি অন্যরকম ভাবি। আমি মনে করি, পিরামিডের ভিত যত মজবুত হবে পিরামিড তত দীর্ঘস্থায়ী হবে। সেজন্য দেশের অর্থনীতির পিরামিডের ভিত্তিভূমিতে যে কোটি কোটি মানুষ রয়েছেন, তাঁদের আর্থিক ক্ষমতা বাড়াতে পারলে, তাঁরা নিজেদের পরিশ্রম যুক্ত করে অর্থ ব্যবস্থার বুনিয়াদকে শক্তি করে তুলবেন। মিলিন্দ যেমন বলছে, আমরা কর্মপ্রার্থী হতে চাই না, আমরা নবীন প্রজন্মকে কাজ দিতে চাই। আমরা ভারতের জি ডি পি’র অংশীদারিত্ব চাই। ভারতের উন্নয়ন যাত্রায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এই যে শক্তি, এই বিপুল শক্তিকে জাগিয়ে তুলতে পারলে, এরাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
সরকার দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিয়েছে। ভারতের মোট জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশ মানুষের বয়স ৩৫ বছরের কম। তাঁদেরকে আমরা কিভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবো? যাতে তাঁরা নিজেরা এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি, অন্যদেরকেও এগিয়ে যেতে সাহায্য করতে পারেন। আসুন আমরা সংকল্প করি, গত ১০ বছরে এই সংগঠনের শরিকরা নিজেদের পরিশ্রমে যে সাফল্য পেয়েছেন, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আগামী দু’বছরে সেই পরিমাণ সাফল্যকে দ্বিগুণ করে তুলবো। এটা সম্ভব। এজন্যই সম্ভব যে, এখন দিল্লিতে আপনাদের সরকার রয়েছে। যাঁরা আন্তরিকভাবে এইসব বিষয় নিয়ে ভাবছেন।
আমাকে কারও বোঝানোর প্রয়োজন নেই, কারণ আমি লড়াই করে জীবনের পথে এগিয়েছি। অপমান কাকে বলে, তা আমি জানি, দীর্ঘদিন ধরেই জানি। আমাদের এলাকার মানুষ বরযাত্রায় বেরিয়ে ঘোড়ার পিঠে চড়ে মৃত্যুকে ভুলে যেতেন। ভালো জামাকাপড় পরে থাকলেও আমরা সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতা স্বীকার করে নিতে পারি না। এই পরিস্থিতিতে আত্মনির্ভর হয়ে আত্মমর্যাদা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমান সরকারও দায়িত্বশীল। আর আপনাদের সাহস আমাদের নতুন শক্তি জোগায়। আর সেজন্য আপনারা এটা মেনে চলুন যে দিল্লিতে আপনাদের একজন সাথি বসে আছে যে আপনাদের অগ্রগতি চায়। আর আমি যে অধিকারে অধিক কর্তব্যে জোর দিচ্ছি, কারণ এটাই আমার পছন্দ, বাবাসাহেব আম্বেদকর আমাদের এই পথই দেখিয়ে গেছেন।
বাবাসাহেব আম্বেদকর বলতেন, দলিতের কাছে জমিজায়গা নেই, সে কোথায় যাবে? দলিতের কর্মসংস্থানের জন্য দেশে প্রভূত শিল্পায়ন চাই। এই দেশে শিল্পায়নই ভূমিহীন দরিদ্র মানুষদের কর্মসংস্থানের সবচাইতে বড় উপায় হতে পারে। এর মাধ্যমেই তাঁদের জীবনের মান উন্নয়ন সম্ভব। আমরা বাবাসাহেব আম্বেদকরের সেই স্বপ্ন সাকার করতে চাই।
বাবাসাহেব বলেছেন, শিক্ষিত হও। আমরা বলি, ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’। কাদের ঘরের মেয়েদের শিক্ষিত হওয়া বাকি রয়েছে? ধনী পরিবারের কন্যাদের নিয়ে সরকারের দুশ্চিন্তা নেই। তাঁরা তো পারিবারিক পরিবেশ থেকে শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পান। বাবাসাহেব আম্বেদকরের স্বপ্ন সাকার করতে আমাদের মতো পিছিয়ে পড়া সমাজের মেয়েদের শিক্ষিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আজকের এই দৃশ্য দেখে যাঁরা দেশের অর্থব্যবস্থা নিয়ে নিবন্ধ লেখেন, তাঁরা নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে লেখার কথা ভাববেন। এটাই পরিবর্তন। দেশে সমাজের একটা বড় অংশ, যাঁরা একটা সময় মান-সম্মান পেতেন না, তাঁরা আজ বলছেন যে, আমরা এভাবে এগিয়ে যাবো, নিজেদের পাশাপাশি অন্যদেরও সসম্মানে বাঁচার সুযোগ করে দেব, অন্যদেরও কর্মসংস্থান করবো। এই ভাবনাই সেই শক্তি, যে শক্তি অবলম্বন করে আপনাদের জয়যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। আমি আরেকবার আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আপনাদের আশ্বস্ত করছি, আসুন আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলি, পায়ে পা মিলিয়ে এগিয়ে যাই। আমি আনন্দিত, একটু আগেই আমাদের মিলিন্দজী বলেছেন, লন্ডনে বাবাসাহেব আম্বেদকরের বাড়িটিকে স্মারক প্রদর্শনশালায় রূপান্তরিত করা হয়েছে। সবার আগে এর কৃতিত্ব কল্পনাজীর, কারণ তিনিই প্রথম আওয়াজ তুলেছিলেন! তিনি বলেছিলেন, এই ঐতিহ্যশালী বাড়িটা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, সবাই জেগে উঠুন!
আমাদের কান খোলা ছিল। আমরা তাঁর কাছ থেকে প্রেরণা নিয়ে কাজ শুরু করায় আজ ঐ বাড়িটি লন্ডনের বুকে একটি প্রেরণাকেন্দ্র হয়ে গড়ে উঠছে। দেশের নবীন প্রজন্মের সন্তানসন্ততিরা যখন লন্ডন যাবেন, দেখবেন কোথায় কিভাবে থেকে বাবাসাহেব আম্বেদকর উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন, আর ভারত’কে একটি নতুন জীবন দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু, আমি আরেকবার বলছি, আপনারা যে কর্তব্যের পথ বেছে নিয়েছেন দেশকেও সেই পথে এগোনোর প্রেরণা জোগান, আমাদের সবাইকে প্রেরণা জুগিয়ে যান। আরেক আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
PG/SB/SB
PM @narendramodi is speaking at the Dalit Indian Chamber of Commerce & Industry. Watch Live https://t.co/tAnz7NmXQ1
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2015
We all know Babasaheb Ambedkar was the architect of our constitution, but not many know that he was an accomplished economist too: PM Modi
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2015
Financial Inclusion is at the core of our focus. We want to create job-creators, not job-seekers: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2015
Our Govt is your Govt. We are working for your empowerment: PM Modi at the Dalit Indian Chamber of Commerce & Industry
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2015
Babasaheb rightly said that Industrialisation will give maximum benefit to our Dalit sisters and brothers: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2015
The spirit of enterprise & determination shown by Dalit entrepreneurs is remarkable. Met them at National Conference of Dalit Entrepreneurs.
— Narendra Modi (@narendramodi) December 29, 2015
Dr.Ambedkarwas a distinguished economist. He had the foresight on how industrialisation would empower Dalits. https://t.co/gEaBBhZMSI
— NarendraModi(@narendramodi) December 29, 2015