পিএমইন্ডিয়া
নতুন দিল্লি, ২৬ জুলাই, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘বিকশিত ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ ২০২৬’-এর অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে আলাপচারিতা করলেন, যেখানে তরুণ ‘মাইভারত’ স্বেচ্ছাসেবকরা হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং লাদাখের সীমান্তবর্তী গ্রামের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন। আলাপচারিতায় উঠে এলো উন্নত পরিকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জনপরিষেবার পাশাপাশি মহিলাদের নেতৃত্বে উন্নয়ন, পর্যটন, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং শক্তিশালী জাতীয় সংহতির মাধ্যমে এইসব গ্রামগুলির রূপান্তরের কথা। সারা দেশের ২৪৫টি জেলার ৫,০০০-এরও বেশি ‘মাইভারত’ স্বেচ্ছাসেবক ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই কর্মসূচিতে অংশ নিলেন।
কর্মসূচির সূত্রপাত করে দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ-এর ‘মাইভারত’ স্বেচ্ছাসেবক শ্রী দিব্যাংশ যোশী ‘বিকশিত ভারত ইয়ং লিডারস ডায়ালগ’, ‘বিকশিত ভারত ইয়ুথ পার্লামেন্ট’, ‘বাজেট টুইস্ট’, পরামর্শদান এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মসূচি সহ বিভিন্ন উদ্যোগের পরিচয় দেন। তিনি বলেন, ২.৩০ কোটির বেশি তরুণ-তরুণী উপকৃত হয়েছেন ‘মাইভারত’ উদ্যোগ থেকে। পাশাপাশি ২.৮৬ লক্ষ যুবা অংশ নেন দেশজোড়া ক্যুইজ অনুষ্ঠানে। যার থেকে ৪০৩ জন স্বেচ্ছাসেবককে বেছে নেওয়া হয় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি পরিদর্শনের জন্য। হিমাচল প্রদেশের কিন্নৌর জেলার লিও গ্রামে তাঁর সফরের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি সেখানকার বাসিন্দা, প্রবীণ নাগরিক এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে তাঁর আলাপচারিতা, স্থানীয় যুবাদের জন্য কেরিয়ার সংক্রান্ত পরামর্শ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যাবলি, মহিলা সরপঞ্চের নেতৃত্ব এবং আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাঁর হোমস্টে-র অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে যে ভাষা ও রাজ্যের সীমানাকে অতিক্রম করে একাত্মতা অনুভব করা যায়। তিনি আরও বলেন, স্বেচ্ছাসেবকরা কারগিল যুদ্ধ স্মারকে দেশের সাহসী সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেছেন এবং বিকশিত ভারতের দর্শনের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে তাঁরা তাঁদের অভিজ্ঞতা পেশ করবেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ-এর মাইভারত স্বেচ্ছাসেবক শ্রীমতী নিকিতা প্রবীণ সোলাঙ্কি জানান, মাইভারত ক্যুইজের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনে কিন্নৌর জেলার ধার চাঙ্গো নিচলা গ্রামে তাঁর স্বাধীন যাত্রা সম্ভব হয়েছে। গ্রামবাসীদের সাদর অভ্যর্থনা তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে, যার থেকে বোঝা যায় মহিলাদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটছে। মহিলা প্রধান, পঞ্চায়েত প্রতিনিধি, কৃষক, প্রবীণ নাগরিক এবং শিশুদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাধ্যমে তিনি দেখেছেন গ্রামীণ মহিলারা একাধিক দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি দেখেছেন যে, তাঁর পূর্বেকার ধারণার বিপরীতে রাস্তাঘাটের গুণমান, নিয়মিত বিদ্যুৎ, পানীয় জলের সংযোগ এবং ডিজিটাল সংযোগ ভালো হয়েছে। বাসিন্দারা এর জন্য প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা, জল জীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারতকে কৃতিত্ব দিয়েছেন। তিনি স্বচ্ছতা অভিযান, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কাজকর্মেও অংশ নিয়েছেন। গ্রামের শিশুরা তার বাসস্থান সম্পর্কে কৌতূহল দেখিয়েছে। তিনি যাদের বাড়িতে ছিলেন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন বলে জানান।
২০১৬-য় দিওয়ালির সময়ে চাঙ্গো অঞ্চল সফরের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রীমতী সোলাঙ্কির যাত্রায় প্রতিফলিত হয়েছে ভারতের মেয়েদের ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাসের কথা এবং ‘মাইভারত’ একজনের একক যাত্রাকে একটি জাতীয় পরিবারে রূপান্তরিত করেছে। শ্রী মোদী বলেন, “একা একা ভ্রমণে বিশ্বকে আবিষ্কার করার পাশাপাশি নিজেকেও আবিষ্কার করার উপায়।”
রাজস্থানের জালোরের ‘মাইভারত’-এর স্বেচ্ছাসেবক শ্রী সুনীল কুমার কেলা বলেন, তিনি নিজেই সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় হিমাচল প্রদেশের ধার চাঙ্গো উপরেলা গ্রামের মানুষের সঙ্গে দ্রত সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। ভৌগোলিক এবং জলবায়ুগত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তিনি দেখেছেন দুই অঞ্চলের মানুষই সাহস, দেশভক্তি এবং উষ্ণতার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ। তিনি ভিডিও কলের মাধ্যমে নিজের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তাদের দেখাতেন সাটলেজ নদী, স্কুল, জন ঔষধি কেন্দ্র, হাসপাতাল এবং ক্রীড়া সুবিধাগুলি দেখিয়েছেন, সেই সঙ্গে তাঁর সামাজিক মাধ্যমের পোস্টগুলি বন্ধুদের উৎসাহিত করেছে ‘মাইভারত’ আবিষ্কারের জন্য। রাস্তা, থাকার ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ এবং মোবাইল সংযোগ নিয়ে তার প্রথম দিকে একটু সন্দেহ ছিল, কিন্তু তা দূর হয়ে যায় হোমস্টেতে যাওয়ার উচ্চগুণমান সম্পন্ন রাস্তা, সৌর বিদ্যুৎচালিত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা এবং উন্নত পরিকাঠামো দেখে, যা দৈনন্দিন জীবনকে রূপান্তরিত করেছে। তিনি আরও জানান, তিনি যে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন তিনি এবং তাঁদের রাজস্থান ঘোরার আবেদন জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান যে তিনি লক্ষ্য করছেন যে, রাজস্থান, কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তর-পূর্বের সীমান্তবর্তীর গ্রামগুলির তরুণদের ভাবনাচিন্তা একইরকম এবং এই সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা যদিও ভৌগোলিকভাবে দূরবর্তী হলেও তারা গভীরভাবে দেশের প্রতি সংযুক্ত। শ্রী মোদী বলেন, “আগে যারা অগ্রাধিকার তালিকার শেষে ছিল, তাঁরা এখন প্রথম।”
অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলার মাইভারত স্বেচ্ছাসেবক শ্রীমতী ভোব্ শ্রী জানালেন, স্কুলের লেখাপড়ার বাইরে কিছু শেখার জন্য তিনি মাইভারতে যাগ দেন এবং যান উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশী জেলার হারসিল উপত্যকায়। অচেনা আবহাওয়া, খাবার, সংস্কৃতি এবং জীবনশৈলী নিয়ে তার প্রাথমিক দ্বিধা দূর হয়ে যায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং আধিকারিকদের আতিথেয়তায়, ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে কথাবার্তায় তাদের শৃঙ্খলা, বিনয়, নিষ্ঠা এবং দেশের জন্য দায়বদ্ধতার প্রতি তার প্রশংসা আরও গভীর হয়। তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজ্য, ভাষা এবং সংস্কৃতি থেকে আসা অংশগ্রহণকারীরা প্রথমে আগন্তুক থাকলেও ফেরার সময়ে তারা যেন একটি পরিবার হয়ে যায়। যার থেকে বোঝা যায় ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর আদর্শ। নেলাং ও জাদুং উপত্যকা এবং আপেল বাগানের ছবি তার বন্ধুদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ তৈরি করেছে, অনেকেই পরে ‘মাইভারত’-এ নথিভুক্ত হয়েছেন। তিনি কীভাবে অংশগ্রহণকারীদের শীতের সঙ্গে মানিয়ে নিতে উপকরণ যুগিয়েছিলেন, তার কথা বলেন। দেখেছেন এক বাসিন্দার কতটা সহনশক্তি অত্যন্ত কষ্টকর জীবন সত্ত্বেও তিনি ধ্বসপ্রবণ তার গ্রামেই থাকা বছন্দ করেন। নিজের রাজ্যের প্রাণবন্ত লোকনৃত্যের বৈপরীত্য তিনি লক্ষ্য করেছেন গাড়োয়ালি নৃত্যের শান্তিময়, ধ্যানমগ্ন চরিত্রটি।
উত্তরাখণ্ডের মুখওয়া গ্রামের সফরের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আলাপচারিতা তাঁর এই বিশ্বাস দৃঢ় হচ্ছে যে, ভারতের যুবসমাজ দেশকে সকলের আগে রাখে। শ্রী মোদী বলেন, “আপনারা যেভাবে ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর আদর্শ অনুসরণ করেছেন, তা আরও আরও অনেক তরুণ-তরুণীকে অনুপ্রাণিত করবে।”
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ‘মাইভারত’ স্বেচ্ছাসেবক ২১ বছরের শ্রীমতী সায়ন্তিকা মিস্ত্রি, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান ‘মাইভারত’ প্ল্যাটফর্মটির ভাবনার জন্য যা কোটি কোটি তরুণ-তরুণীকে দেশ গঠনে অবদান রাখার সুযোগ দিচ্ছে। সমুদ্রউপকূল থেকে প্রায় ১৭,০০০ ফুট উচ্চতায় লাদাখের মান গ্রামে সফরের কথা স্মরণ করে তিনি প্রবল উচ্চতাজনিত অসুস্থতায় ভোগার কথা এবং ‘মাইভারত’ টম এবং চিকিৎসক সহ আইটিবিপি আধিকারিকদের সাহায্যের কথা জানান তারা নিজেদের সহকর্মীকে ছেড়ে অতিথিদের চিকিৎসা করায় অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি বলেন, অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছেন আইটিবিপি জওয়ানরা শুধু সীমান্ত রক্ষা করেন তাই নয়, নাগরিকদের গভীর যত্ন করেন। অত্যন্ত উঁচু ওই জায়গায় থাকার সহনশীলতারও প্রশংসা করেছেন তিনি। তিনি জানান, তাঁর পরিবার ভেবেছিল যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব দুর্বল হবে, কিন্তু তিনি দেখেছেন ওই সীমান্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট, কিউআর-কোড এবং ইউপিআই-এর মাধ্যমে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা, ওয়াই-ফাই যথেষ্ট ভালো। তিনি স্থানীয় বাচ্চাদের সঙ্গেও কথা বলেন, তাদের মধ্যে একজন আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ঘুরে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিনি তুলে ধরেন যে, সামাজিক আদর্শটিকে যার মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দারা একসঙ্গে বিয়ে ও পূজা আয়োজন করে, ক্ষতিগ্রস্ত মোবাইল টাওয়ার সারিয়েছে নিজেরাই, ব্যাটারিগুলির জন্য নিজেরাই একটি রাখার জায়গা তৈরি করেছে।
শ্রীমতী মিস্ত্রিকে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা নিবন্ধ অথবা বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করতে উৎসাহ দেন প্রধানমন্ত্রী, যাতে অন্যরা দেশের বিশালত্ব, মানুষ এবং একইধরনের নিজস্বতার সাক্ষী থাকতে পারে। শ্রী মোদী বলেন, “যখন আপনি আনন্দ ভাগ করে নেন, তখন তা বহুগুণ বেড়ে যায়।”
উত্তর প্রদেশের জৌনপুর জেলার মাইভারত স্বেচ্ছাসেবক শ্রী আশীষ সোনি, সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তিনি ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রীকে বাজেট তৈরির প্রক্রিয়ায় তরুণ-তরুণীদের পরামর্শ দেওযার ব্যবস্থা করায়। হিমাচল প্রদেশের স্পিতি অঞ্চলের কাজা খাসের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে তিনি বলেন, তাঁর পিতা-মাতা, যাঁরা এমন একটা সময়ের কথা বলেন, যখন দুর্গম এলাকায় মোবাইল যোগাযোগ অসম্ভব ছিল, তারা অবাক হয়ে গেছেন তাঁকে প্রায় ১৪,০০০ ফুট উঁচু জায়গা থেকে ভিডিও-কল করতে দেখে। ‘মাইভারত’-কে প্রজন্মের মধ্যে সেতু হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু জায়গায় অবস্থিত হিকিমের ডাকঘর থেকে প্রধানমন্ত্রী, নিজের পরিবার, যুব বিষয়ক মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং জেলা শাসককে চিঠি লেখার কথা জানান, বলেন, এক প্রজন্ম সংগ্রামের সাক্ষী থেকেছে আবার অন্য প্রজন্ম সাক্ষী থাকছে রূপান্তরের। তিনি বলেন, ভারত শুধু মেট্রো এবং বিমানবন্দরের মাধ্যমেই সংযুক্ত নয়, বরং সে যুক্ত দুর্গম এলাকায় কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে। তিনি তুলে ধরেন প্রায় ১৪,৫০০ ফুট উপরের কিউআর-কোড পেমেন্ট ব্যবস্থা থাকাকে, যার থেকে বোঝা যায় ডিজিটাল ইন্ডিয়া সারা দেশে আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। তিনি মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁরা হোমস্টে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং সি বাকথর্ন-ভিত্তিক পণ্যের মাধ্যমে উদ্যোগপতিত্বের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে, জীবনজীবিকার সুবিধার প্রসারে পিএম মুদ্রা যোজনা এবং দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন-এর কথাও তুলে ধরেন যারা যোগাযোগ পর্যটন এবং অর্থনৈতিক কাজকর্মের উন্নতি করতে চিচাম সেতু তৈরি করেছে। তিনি ওই অঞ্চলের রাত্রিকালীন ভ্রমণের সুবিধার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।
প্রযুক্তি দেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছে গেছে এবং স্থানীয় পণ্য কিনলে তৈরি হবে কর্মসংস্থান, জীবনজীবিকার সহায়ক হবে এবং আঞ্চলিক পরিচিতি পৌঁছে যাবে ভারতের নানা জায়গায় জানিয়ে শ্রী মোদী বলেন, “যেখানেই আপনি যাবেন সেখানে আপনার ভ্রমণের বাজেটের অন্তত পাঁচ শতাংশ খরচ করবেন স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে স্থানীয় পণ্য কেনার জন্য।”
আলোচনা শেষে প্রধানমন্ত্রী তরুণ অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানান। এই কর্মসূচিতে তুলে ধরা হলো ভারতের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির অভিজ্ঞতা জানতে তরুণ-তরুণীদের সাহায্যকারী হিসেবে মাইভারত-এর ভূমিকাকে। দূর হয়েছে পুরনো ধ্যানধারণা, গভীর হয়েছে দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, উন্নয়নের অগ্রগতি, মানুষের অংশগ্রহণ এবং ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ সম্পর্কে জানাশোনা।
SC/AP/SKD
Interacting with the participants of the Viksit Vibrant Village Programme. Great to see that the initiative is instilling a deeper sense of nation-building among the youth.#Youth4ViksitBharat #MYBharat https://t.co/2vCFle03vY
— Narendra Modi (@narendramodi) July 26, 2026
विकसित गांव, विकसित भारत की भी आधारशिला है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) July 26, 2026
हमारी सरकार ने, सीमावर्ती गांवों को... देश का प्रथम गांव माना: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) July 26, 2026
विकसित Vibrant Village की ये यात्रा... सबको जोड़ने, सबसे जुड़ने का ही एक माध्यम है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) July 26, 2026