পিএমইন্ডিয়া
নয়াদিল্লি, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে জয়গোপাল গারোডিয়া হিন্দু বিদ্যালয় ম্যাট্রিকুলেশন হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন। দিনটির গভীর আধ্যাত্মিক গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী নবরাত্রির প্রথম দিনে শিব এবং শক্তির এই পবিত্র ভূমিতে সফর করতে পেরে প্রভূত আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে, উৎসবের পবিত্র সূচনার জন্য মা সরস্বতীর ভক্তদের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি তরুণদের ইতিবাচক প্রাণশক্তি, উৎসাহ এবং উদ্দীপনার সাক্ষী থাকতে পারলেন তিনি। শ্রী মোদী বলেন, “আপনাদের সকলের চোখে আমি ভারতের ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি।”
তরুণ প্রজন্মের প্রভূত সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, আজকের তরুণ প্রজন্মের উদগ্র ইচ্ছা আছে ‘বিকশিত ভারত’ দর্শনের চালিকাশক্তি হওয়ার। তিনি বলেন যে, জাতীয় লক্ষ্য পূরণে নতুন ভাবনা, সমাধান প্রয়োজন যা শেষ পর্যন্ত দেশের নিয়তিকে রূপ দেবে তাই নয়, সারা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ স্থির করবে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “বর্তমানে বিশ্ব সমাধানের সন্ধানে, এবং আপনাদের সেই সমাধান দেওয়ার ক্ষমতা আছে।”
বিশাল করে স্বপ্ন দেখতে ছাত্রদের উৎসাহ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেককে বিশাল ক্যানভাসে যেখানে অসীম সুযোগ রয়েছে সারা দেশ জুড়ে, তার ভিত্তিতে নিজেদের ভবিষ্যৎ আঁকার আবেদন জানান। তিনি পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এই সম্মিলিত জাতীয় স্বপ্ন পুরোপুরি তাদের হস্তগত, এই অভূতপূর্ব সম্ভাবনার যুগে। শ্রী মোদী আশ্বস্ত করে বলেন, “একসঙ্গে আমরা এটা করবো।”
ব্যক্তিগত একটি ঘটনা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর এই সফরের পিছনে অনুপ্রেরণাটি, স্মরণ করান, কয়েক মাস আগে নাগেরকয়েল-এ গিরিজা আম্মা এবং একাধিক শিশুর সঙ্গে তাঁর দেখা হওয়ার কথা। শ্রী মোদী বলেন, “তাঁর গভীর নিষ্ঠা, আত্মবিশ্বাস এবং অদম্য আত্মনিবেদন দেশের ভবিষ্যতের প্রতি, আমার মনে অভূতপূর্ব ছাপ ফেলে গেছে।”
সেই প্রাথমিক বৈঠকে প্রতিশ্রুতি পূরণে প্রধানমন্ত্রী জানান, গিরিজা আম্মার আন্তরিক স্নেহ এবং এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের জন্য তাঁর নিজস্ব গভীর শ্রদ্ধা তাঁকে বাধ্য করেছে সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ গ্রহণ করতে। শ্রী মোদী জানান, “আমি আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই বিশ্ব হিন্দু বিদ্যা কেন্দ্র এবং সমগ্র হিন্দু বিদ্যালয় পরিবারকে এই ৫০ বছরের অসাধারণ যাত্রার জন্য।”
প্রতিষ্ঠানের অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ী চলার পথ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব হিন্দু বিদ্যা কেন্দ্র মাত্র ৭টি ছাত্র এবং সীমিত অর্থ নিয়ে ১৯৭৫-এ চেন্নাইয়ের ওয়েস্ট মাম্বালমে একটি ছোট্ট স্কুল হিসেবে যাত্রা শুরু করে। তিনি প্রতিষ্ঠাতাদের প্রশংসা করেন নিজেদের ইচ্ছাশক্তি এবং প্রাথমিক বাধা দূর করতে অদম্য সেবার মনোভাবে আস্থা রাখার জন্য। আধুনিক সুবিধা অথবা স্থায়ী ভবন না থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি গড়েন তাঁরা। শ্রী মোদী বলেন, “সেই কারণে অনেক অসুবিধা সত্ত্বেও এই প্রতিষ্ঠান সামনে এগিয়ে যেতে পেরেছে।”
খুব সামান্য অবস্থা থেকে বিশাল সম্প্রসারণের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করেন, যেভাবে ক্ষুদ্র প্রাথমিক প্রচেষ্টা কয়েক দশকে বিশাল শিক্ষা আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছে তার। তিনি বলেন, সারা রাজ্যে এই প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্যভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। শ্রী মোদী বলেন, “তামিলনাড়ুর বিভিন্ন অংশে আপানাদের ১৫টি প্রতিষ্ঠান আছে।”
প্রতিষ্ঠাতাদের সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন শ্রী জয়গোপাল গারোডিয়ার এই বিদ্যালয়ের ভবন তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ দানের কথা। তিনি তাঁর গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সকল শিক্ষক, কর্মী, অভিভাবক এবং প্রাক্তনীদের প্রতি যাঁরা তাঁদের জীবন অতিবাহিত করেছেন হিন্দু বিদ্যালয়ের যাত্রাকে বিশালভাবে সফল করতে। শ্রী মোদী মন্তব্য করেন, “৫০ বছরের নিষ্ঠা, ৫০ বছরের দায়বদ্ধতা, ৫০ বছরের তরুণ জীবনের রূপারোপ।”
শিক্ষাকে দেশপ্রেমের সঙ্গে সফলভাবে মিশ্রণ করানোর জন্য এই প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন কি বাত কর্মসূচিতে গিরিজা আম্মার প্রসঙ্গ উল্লেখ করার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। দেশের সেনাদের জন্য শিশুদের তিনি প্রতিদিন ১ টাকা করে সঞ্চয় করার দারুণ পরামর্শ দিয়েছিলেন। শ্রী মোদী বলেন, “এটি নিশ্চিতভাবে একটি প্রেরণাদায়ক নজির।”
নিরন্তর প্রয়াসের অসীম ক্ষমতার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ছোট ছোট অবদান সমাজে বিশাল ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি হিন্দু বিদ্যালয় পরিবারের প্রশংসা করেন মূল্যবোধের ধারণাকে সক্রিয়ভাবে প্রোথিত করার জন্য। সেইসঙ্গে গরিব মানুষকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সহায়তা করার মাধ্যমে অথবা স্বচ্ছতা অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে।
প্রাচীন প্রজ্ঞার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন মহান সন্ত থিরুভাল্লুভারের প্রতি, জানান যে তাঁর শিক্ষা এখনও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বর্তমান যুগের ছাত্রদের কাছে। তিনি গর্বের সঙ্গে ভাগ করে নেন সাম্প্রতিক একটি কূটনৈতিক বৈঠকের কথা যেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে রুশ ভাষায় অনুবাদ করা থিরুক্কুরাল উপহার দিয়েছিলেন।
থিরুক্কুরালের চিরকালীন পথ প্রদর্শনকে ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী ওই পাঠ্যটিকে জীবনব্যাপী শিক্ষার একটি সুন্দর পথ প্রদর্শক হিসেবে প্রশংসা করেন। থিরুভাল্লুভারের একটি বিখ্যাত কুরালের উল্লেখ করেন তিনি যেখানে বলা হয়েছে একজনের দৈনন্দিন জীবনে শিক্ষাপ্রাপ্ত জ্ঞানকে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর।
প্রধানমন্ত্রী বলেন ছাত্রছাত্রীদের জন্য এটি একটি বড় শিক্ষা।
দেশকে যে গভীর সাংস্কৃতিক মৈত্রী বেঁধে রেখেছে, তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, মহান কবি মহাকবি ভারতীয়ার কাশীতে প্রাপ্ত আধ্যাত্মিক এবং জাতীয় চেতনা তাঁকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। তিনি ছাত্রদের কবির জীবন এবং দর্শন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
তাঁর নিজের সংসদীয় ক্ষেত্রটি এই ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী জানান, কাশীর মানুষ এখনও মনে রেখেছেন মহাকবি ভারতীয়াকে। কবির বিখ্যাত, ‘সাহসী হও, সাহসী হও’ মন্ত্রটিকে সক্রিয়ভাবে আপন করে নেওয়ার জন্য তরুণদের আবেদন জানান তিনি নিজেদের ভাবনা এবং স্বপ্নকে সাকার করার জন্য।
নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশকে গভীরভাবে বুঝতে হলে প্রয়োজন নিরন্তর ভ্রমণ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কাছ থেকে সরাসরি শিক্ষা গ্রহণ। ১৯৯০-এর গোড়ায় কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর একতা যাত্রায় তাঁর অংশগ্রহণের কথা আনন্দের সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি যেখানে গিরিজা আম্মার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা শুরু। শ্রী মোদী বলেন, “সেই থেকেই আমাদের মধ্যে নৈকট্য বজায় আছে।”
রাজ্যের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত গভীর সম্পর্কের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রচুর ভ্রমণের মাধ্যমে তিনি দেশের বিশাল বৈচিত্র্যকে আন্তরিকভাবে বুঝতে সক্ষম হয়েছেন। এই থেকেই তামিল ভাষা এবং তামিল সংস্কৃতির প্রতি তাঁর ভালোবাসা জন্মেছে।
জাতীয় সংহতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঘুরতে এবং সঙ্গে করে গর্বের সঙ্গে তামিল সংস্কৃতিকে বহন করে নিয়ে যেতে বলেন। তিনি তাদের তামিল কবিতা, কাহিনী এবং ঐতিহ্য ভাগ করে নেওয়ার পরামর্শ দেন এবং নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার পরামর্শ দেন যাতে দেশের সংহতি শক্তিশালী হয়। দেশের শিক্ষা জগতে অভূতপূর্ব কাঠামোগত রূপান্তরের কথা বিস্তারিত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নতুন প্রজন্মের কাছে প্রচুর সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তুলে ধরেন। তিনি পরিসংখ্যান দেন, বলেন, ২০১৪য় যেখানে ৭৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল, আজ তার সংখ্যা হয়েছে ১৩০০। কলেজের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৮০০০ থেকে ৫২০০০। পাশাপাশি হয়েছে অসংখ্য নতুন আইআইটি, আইআইএম, আইআইআইটি এবং এআইআইএমএস।
নতুন শিক্ষা নীতির ফলে গুণগত উন্নতির কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশজ প্রতিষ্ঠানগুলির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ২০১৫য় কিউএস র্যা ঙ্কিং-এ মাত্র ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছিল সেখানে এখন নাটকীয়ভাবে সংখ্যাটি বেড়ে হয়েছে ৫২।
তরুণদের নানা ধরনের প্রত্যাশার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক ছাত্রই খেলাধুলার মতো অচিরাচরিত অন্যান্য বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি তাঁদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, দেশ সক্রিয়ভাবে নতুন ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তুলছে, প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং ক্রীড়াকে যাতে শুধুমাত্র আনন্দের বিষয় না ভেবে পেশা হিসেবে নেওয়া যায় তারজন্য সাহায্য করছে যার ফলে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের স্থান উঁচুতে উঠেছে।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে লক্ষ্যের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন দেশ ২০৩০-এ কমনওয়েল্থ গেমস আয়োজন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ২০৩৬-এ অলিম্পিকের আয়োজন করার বড় স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন যে, বিশ্বজুড়ে বিশালভাবে খেলাধুলার অনুষ্ঠান বাড়তে চলেছে। ফলে তরুণরা পাচ্ছে যথাযথ মঞ্চ, সম্ভাবনা এবং দেশের পুরো পৃষ্ঠপোষকতা।
তরুণ প্রজন্মের ওপর তাঁর বিশ্বাসের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে এবং তাঁদের স্বপ্নর কথা জেনে তাঁর মনে হয় যে, দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে। তিনি ঘোষণা করেন যে, তরুণরাই হবেন শেষ পর্যন্ত নায়ক যাঁরা আগামীদিনের রূপকার হবে।
তাদের সক্ষমতায় পূর্ণ আস্থা রাখার কথা পুনর্বার জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রছাত্রীদের প্রভূত প্রতিভা, আত্মবিশ্বাস এবং সক্ষমতার প্রশংসা করেন। তিনি উপস্থিত তরুণদের আমন্ত্রণ জানান, তাঁর সঙ্গে মিলে একটি বিশাল ঐতিহাসিক জাতীয় সংকল্প নিতে।
ভাষণের শেষে প্রধানমন্ত্রী সকলকে দিয়ে বলান, “উই উইল ডু ইট”- একাধিক জাতীয় উদ্দেশ্যে। তিনি তরুণদের অকুতোভয় হয়ে নিজেদের সমর্পণ করতে বলেন, ২০৪৭-এর মধ্যে উন্নত ভারত গঠনে, যাতে দেশ প্রথম ৩টি অর্থনীতির একটি হয়ে উঠতে পারে, স্বনির্ভর গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হতে পারে, অলিম্পিকের আয়োজন করতে পারে এবং চাঁদে একজন ভারতীয়কে পাঠাতে পারে।
SC/AP/NS….
Golden Jubilee celebrations of Jaigopal Garodia Hindu Vidyalaya in Chennai... The energy of our youth inspires great faith in India's future. https://t.co/FoyiqVrShY
— Narendra Modi (@narendramodi) October 11, 2026
आज का युवा ‘विकसित भारत’ के vision की ताकत बनना चाहता है। विकसित भारत के लिए जो नए ideas चाहिए... जो नए solutions चाहिए... उनसे भारत ही नहीं, विश्व का भविष्य भी तय होगा: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 11, 2026
आज भारत में जो infinite opportunities हैं... मैं चाहता हूं कि हर युवा अपने भविष्य को उसी बड़े canvas पर देखे। Because, this is your time. This is your opportunity: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 11, 2026
@narendramodi तिरुक्कुरल उन सभी लोगों के लिए एक अद्भुत मार्गदर्शक है, जो जीवन भर कुछ नया सीखते रहना चाहते हैं। तिरुवल्लुवर जी अपने एक बहुत प्रसिद्ध कुरल में हमें सिखाते हैं कि कुछ सीखने के साथ ही उसे अपने जीवन में अपनाना भी आवश्यक है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 11, 2026
मैं महान संत तिरुवल्लुवर जी को भी याद करुंगा। उनकी शिक्षाएं आप सभी स्टूडेंट्स के लिए बहुत अहम हैं। हाल ही में मुझे रूस के राष्ट्रपति पुतिन को तिरुक्कुरल का रूसी अनुवाद भेंट करने का अवसर मिला था: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 11, 2026
भारत 2030 Commonwealth Games की मेजबानी की तैयारी कर रहा है। हम 2036 Olympics की मेजबानी का सपना भी लेकर आगे बढ़ रहे हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 11, 2026