Search

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় একতা দিবস উদযা পনে অংশগ্রহণ করেছেন

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় একতা দিবস উদযা পনে অংশগ্রহণ করেছেন


নতুন দিল্লি, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ গুজরাটের একতা নগরে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’-এর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সমবেত জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী প্রথাগত সকালের কর্মসূচির পরিবর্তে সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানের আয়োজনের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি আগের সন্ধ্যায় ‘ভারত পর্ব প্যাভিলিয়ন’-এ আয়োজিত চমৎকার প্রদর্শনী এবং সকালে ‘রান ফর ইউনিটি’ (একতার জন্য দৌড়)-তে লক্ষ লক্ষ নাগরিকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করেন, যারা দেশের ঐক্য বজায় রাখার সংকল্প নিয়েছিলেন।

 

বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’ নির্মাণে সমগ্র দেশবাসীর সম্মিলিত অংশগ্রহণ, এই স্থানের অনন্য পরিবেশ এবং ‘একতা দিবস’-এর অনুপ্রেরণাদায়ক শক্তির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, এই স্মৃতিস্তম্ভটি পরিদর্শন করলে একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে মনে গর্বের অনুভূতি জাগে এবং সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতাবোধ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “স্বাধীনতার পর তিনি ৫৫০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্যকে একত্রিত করেছিলেন এবং অটল সংকল্পের মাধ্যমে এই জাতিকে ঐক্যের সুতোয় গেঁথেছিলেন।”

 

প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন যে, স্বাধীনতা একটি জাতিকে নিজেদের ভাগ্য গড়ার ক্ষমতা দেয় এবং প্রজাতন্ত্র সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করে। তিনি আরও বলেন, ঐক্যই একটি জাতি হিসেবে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। শ্রী মোদী বলেন, “তাই আমাদের দেশে এখন স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস এবং একতা দিবস – এই তিনটি জাতীয় উৎসবই অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে পালন করা হয়।”

 

একতা নগরে আয়োজিত এবারের ‘জাতীয় একতা কুচকাওয়াজ’-এর মাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের যে বিশাল দৃশ্য ফুটে উঠেছে, তার উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এই কুচকাওয়াজে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর বীরত্ব প্রদর্শনের পাশাপাশি ভারতের ঐতিহ্য ও আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরা বিভিন্ন ট্যাবলো ছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একতা দিবস’ এখন কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে গড়ে ওঠা এক গণ-গর্বের উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “এই বিশেষ দিনে আমি সকল দেশবাসীকে ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’-এর শুভেচ্ছা জানাই এবং সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের চরণে শ্রদ্ধাবনত মস্তকে প্রণাম নিবেদন করি।”

 

সর্দার প্যাটেলকে ইতিহাসের এক মহান ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁকে ছাড়া আধুনিক ভারতের কথা কল্পনাও করা যায় না। ভারতের বর্তমান ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার কৃতিত্বও তিনি সর্দার প্যাটেলকেই দেন। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “দেশভাগের পরেও হিমালয় থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত ভারতকে যিনি সুরক্ষিত রেখেছিলেন, তিনি ছিলেন স্বয়ং সর্দার প্যাটেল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্দার প্যাটেল সফল হয়েছিলেন কারণ তিনি ভারতের চরিত্র ও চেতনাকে গভীরভাবে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। তিনি বৈচিত্র্যকে কোনো বাধা হিসেবে নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের প্রকৃত ভিত্তি হিসেবে দেখেছিলেন – যে ঐক্য হাজার হাজার বছর ধরে ভারতীয় সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “এই শক্তির বলেই আমরা উন্নতি ও সমৃদ্ধির শিখরে পৌঁছাতে পেরেছি।”

 

সর্দার প্যাটেল যে দেশকে ভৌগোলিক ও আবেগগতভাবে ঐক্যবদ্ধ করে আধুনিক ভারতের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। শ্রী মোদী বলেন, “গুজরাটে সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে তিনি জাতির সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের সূচনা করেছিলেন।”

 

সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণের ৭৫তম বার্ষিকীর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাজার বছর ধরে অত্যাচারীদের উপেক্ষা করে যে মন্দিরের পতাকা গর্বের সঙ্গে উড়ছে, তা সারা দেশে চলমান ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’-কে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “এ বছরও সারা দেশ অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এই উৎসব পালন করছে।”

 

জাতীয় ঐক্যের বিশাল আয়োজন, বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান মর্যাদা, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কাশী বিশ্বনাথ থেকে রাম মন্দির পর্যন্ত সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ আজ সর্দার প্যাটেলের দেখানো পথেই এগিয়ে চলেছে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “এর জন্য এই দেশ সর্বদা তাঁর কাছে ঋণী হয়ে থাকবে।”

 

সর্দার প্যাটেলের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে দুই বছর ধরে চলা উদযাপনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময়ে দেশ যে বড় বড় সংকল্প নিয়েছিল, তার ১৫১তম জন্মবার্ষিকীতে দাঁড়িয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন যে, অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেই সেই সংকল্পগুলো পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “এই দুই বছরে দেশ বেশ কিছু অভূতপূর্ব মাইলফলক অর্জন করেছে।”

 

সর্দার প্যাটেলের ১৫০তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর চরণে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী যে শপথ নিয়েছিলেন – নকশালবাদ ও মাওবাদী সন্ত্রাস সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত তিনি বিশ্রাম নেবেন না – সেই অঙ্গীকারের কথা দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি ঘোষণা করেন যে, এক বছরের মধ্যেই বামপন্থী চরমপন্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, ২০১৫ সালে ১২৬টি নকশাল-প্রভাবিত জেলা থাকলেও, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে আসবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, কয়েক দশক ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ক্ষত বয়ে বেড়ানো অঞ্চলগুলো এখন উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত হচ্ছে; সেখানে রাস্তাঘাট, মোবাইল নেটওয়ার্ক, স্কুল এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রসার ঘটছে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “যেসব তরুণ-তরুণী একসময় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিলেন, তাঁদের সামনে এখন শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং এগিয়ে যাওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”

 

একতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হওয়া, একসময়ের নকশাল-প্রভাবিত অঞ্চলের পরিবারগুলোকে স্বাগত জানিয়ে এবং তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কামনা করে, প্রধানমন্ত্রী শান্তির জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী নিরাপত্তা কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আজ আমি সেই সব বীর জওয়ানদের প্রতিও মাথা নত করছি, যাঁরা দেশের এই অঞ্চলগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন।”

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পর্যায়ে অর্জিত বাস্তব সাফল্য এবং একটি সংবেদনশীল প্রশাসনের কারণে জনগণের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে, যার ফলে ভারত আজ অনেক বেশি নিরাপদ ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে অর্জিত ঐতিহাসিক মাইলফলকের কথা তুলে ধরেন। স্বাধীনতার পরবর্তী কয়েক দশক ধরে কেবল ফাঁপা স্লোগান দেওয়া হয়েছে – যেমন ‘গরিবি হটাও’ (দারিদ্র্য দূর করো) – কিন্তু যারা এই স্লোগান দিতেন, তাঁরা কেবল নিজেদেরই সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের উল্লেখ করে জানান যে, ২০২৪ সালের আগের ১০ থেকে ১২ বছরে ৫০ কোটি ভারতীয় দারিদ্র্যসীমা থেকে বেরিয়ে এসেছেন। শ্রী মোদী বলেন, “এর অর্থ হলো, আগে যেখানে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ২৭ জন চরম দারিদ্র্যের কবলে ছিলেন, আজ সেই সংখ্যা ৩-এরও নিচে নেমে এসেছে।”

 

প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন যে, বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে গত ১২ বছরে দরিদ্রদের কল্যাণ ও ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে – কোনো রকম দুর্নীতি বা অপচয় ছাড়া সরাসরি সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর, বিনামূল্যে রেশন ও স্বাস্থ্য- পরিষেবা প্রদান, কোটি কোটি পাকা বাড়ি ও শৌচাগার নির্মাণ, ধোঁয়ামুক্ত রান্নাঘরের ব্যবস্থা এবং ব্যাপক বিমা সুরক্ষা। তিনি উল্লেখ করেন যে, ২০১৪ সালের আগে সামাজিক সুরক্ষার আওতা ২৫ কোটি মানুষেরও কম ছিল, যা আজ বেড়ে প্রায় ১০০ কোটি নাগরিকের কাছে পৌঁছেছে। সর্দার প্যাটেলের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি তাঁর আশীর্বাদ প্রার্থনা করে, প্রধানমন্ত্রী মোদী দারিদ্র্যকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এই ধরনের প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা দেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করব এবং ভারতকে একটি ‘বিকশিত ভারত’-এ পরিণত করব।”

 

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সংকট, সম্পদের অভাব এবং বিপর্যস্ত সরবরাহ শৃঙ্খলের মতো নানা সমস্যায় জর্জরিত বর্তমান অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্যই স্থিতিশীলতা ও সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয়। তিনি বলেন, যেকোনো বৈশ্বিক ঝড় মোকাবিলায় ভারতীয়দের পারস্পরিক সংহতিই হলো দেশের শক্তির প্রধান স্তম্ভ। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন অনেক দেশে জ্বালানি রেশনিং করতে হয়েছিল এবং ভারত – যা একটি জনবহুল ও তেল আমদানিকারক দেশ – সেখানেও চরম সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তখন কূটনৈতিক তৎপরতা এবং জনগণের সংহতিই দেশবাসীকে সেই ধাক্কা থেকে রক্ষা করেছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বিভাজন সৃষ্টিকারী শক্তিগুলোর বিষয়ে সতর্ক করে দেন। তিনি বলেন, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনৈতিক হতাশার পর এই শক্তিগুলো এখন প্রকাশ্যে এসেছে; তারা ষড়যন্ত্র করছে, নাগরিকদের একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে গুজব ছড়িয়ে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানান যেন তারা গোপন বিদেশি বৈঠক, ভারতবিরোধী উপাদানগুলোর বাহ্যিক মদত এবং দেশের শত্রুদের সুরের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া বক্তব্যের মতো বিষয়গুলো শনাক্ত করতে পারে। শ্রী মোদী সতর্ক করে বলেন, “আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নকশালবাদ নির্মূল করেছি, কিন্তু আদর্শগত চরমপন্থীদের বিপদ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তাই এ ধরনের শক্তির বিরুদ্ধে দেশকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।”

 

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, জাতীয় ঐক্যের মহান লক্ষ্য এবং একটি শক্তিশালী ও সক্ষম ভারত গড়ার যাত্রা কোনো প্রতিকূলতা সত্ত্বেও অবিরাম চালিয়ে যেতে হবে। তিনি আগামী দিনের প্রধান জাতীয় অগ্রাধিকারগুলোর কথা তুলে ধরেন – যার মধ্যে রয়েছে ভারতের সীমান্তকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত করা, অনুপ্রবেশ ও জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন রোধ করা এবং একটি ‘ধর্মনিরপেক্ষ দেওয়ানি বিধি’-এর দিকে এগিয়ে যাওয়া। তিনি স্বীকার করেন যে, বড় কোনো সংকল্প বা সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে বাধা ও ঝড় আসা স্বাভাবিক। তবে তিনি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে, ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর অটল সংকল্প থেকে জাতি বিচ্যুত হবে না। ২০৪৭ সালের লক্ষ্য অর্জনের পথে প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি স্পন্দনে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি উৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনির মাধ্যমে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। “আমরা কঠোর পরিশ্রমের শিখরে পৌঁছাব, ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ পরিস্থিতির মোকাবিলা করব দৃঢ়তার সঙ্গে; তবে আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকবে একটিমাত্র লক্ষ্যের দিকে – ২০৪৭ সালের মধ্যে এক শক্তিশালী ও সক্ষম ভারত গড়ে তোলা!” – দৃঢ় কণ্ঠে বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। 

 

 

 

MH/SB/AS