পিএমইন্ডিয়া
নতুন দিল্লি, ১০ মে ২০২৬
পূজনীয় শ্রী শ্রী রবি শঙ্কর জি, এখানে উপস্থিত অন্যান্য সকল সাধু-সন্ত, ভাই ও বোনেরা, এল্লারিগু নমস্কারা ( আপনাদের সবাইকে নমস্কার)।
আজকের সকালটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে শিশুদের স্বাগত জানানো, ভগবান শ্রী গণেশের দর্শন, শ্রী শ্রী রবি শঙ্কর জি-র ৭০তম জন্মবার্ষিকী এবং আর্ট অফ লিভিং-এর ৪৫তম জন্মবার্ষিকী – এই মুহূর্তগুলো আমার স্মৃতিতে চিরকাল খোদাই হয়ে থাকবে। এই চমৎকার অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য আমি আপনাদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।
গুরুদেব এইমাত্র অনেক কথা বললেন। আপনার হয়তো মনে হতে পারে তিনি আমার প্রশংসা করছিলেন, কিন্তু আমার মনে হলো তিনি আমাকে তাঁর কাজের কথা বলছিলেন। আপনি ঠিকই বলেছেন যে আমি আপনাকে যথেষ্ট ধন্যবাদ দিতে পারব না। আমি আপনারই, আমি আপনার মাঝে এবং আপনার জন্যই এসেছি, এবং আমি আজ যেখানে আছি, তা আপনারই কারণে। আজ গুরুদেবের ৭০তম জন্মবার্ষিকী, কিন্তু আমি শুরুতেই বলে রাখতে চাই যে, যেহেতু আমি আপনাদের পরিবারের সদস্য, তাই খোলামনে বলতে চাই যে, আপনাদের শতবার্ষিকী উদযাপনের সময় আবার আসব।
আজ দিব্য ও মহিমান্বিত ধ্যান মন্দিরের উদ্বোধন করা হলো। যখন সংকল্প স্পষ্ট থাকে এবং সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করা হয়, তখন প্রতিটি প্রচেষ্টাই ইতিবাচক ফল দেয়। অন্য যা কিছুই ঘটুক না কেন, আমরা সকলেই পদ্মের সুরক্ষায় আছি। আপনারা বুঝতে পারলেই, করতালি দিন। এবং গুরুদেবের আশীর্বাদে, পদ্মের সুরক্ষা দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এই ধ্যান মন্দিরের জন্য আমি আর্ট অফ লিভিং পরিবারকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
বন্ধুগণ,
বেঙ্গালুরুর আবহ, তার পারিপার্শ্বিকতা অনন্য। এই শহরটি সফটওয়্যার এবং পরিষেবার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তবে, এই শহরটি ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয়, আধ্যাত্মিকতা এবং আধ্যাত্মিক চেতনাকেও নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে। যোগ, ধ্যান এবং প্রাণায়াম ভারতের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর গুরুজি যেমনটি বলেছেন, আজ সারা বিশ্বের মানুষ ভারতের এই আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য দ্বারা প্রভাবিত, এবং এই প্রাচীন ঐতিহ্যগুলি ভারতের অনেক প্রতিষ্ঠানকে অনুপ্রাণিত করেছে।
বন্ধুগণ,
এই ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়েই শ্রী শ্রী রবি শঙ্করজি ৪৫ বছর আগে ‘আর্ট অফ লিভিং’-এর বীজ বপন করেছিলেন। আজ তা আমাদের সামনে এক সুউচ্চ বটবৃক্ষ রূপে দাঁড়িয়ে আছে। এই বটবৃক্ষের হাজার হাজার শাখা-প্রশাখা সারা বিশ্বের অগণিত মানুষের জীবনকে স্পর্শ করছে। আর সরকারি কাজে আমি বিদেশ সফরে যেখানেই যাই, সেখানেই আপনাদের মতো কাউকে না কাউকে খুঁজে পাই।
বন্ধুগণ,
আমাদের ভারত বৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ একটি দেশ। কত ভাষা, কত ঐতিহ্য, কত ভিন্ন রীতিনীতি, এবং কত ভিন্ন উপাসনা পদ্ধতি। এসব দেখে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন জাগে। এই সমস্ত সুন্দর বৈচিত্র্যকে সংযুক্তকারী মৌলিক উপাদানটি কী? উত্তরটি হলো : নিজের জন্য নয়, বরং অন্যের জন্য বাঁচো। আমাদের দেশে বলা হয়, “অষ্টাদশ পুরাণশু ব্যাস্য বচনদ্বয়ম্। পরোপকারঃ পুণ্যায় পাপায় পরপীড়নম্।” অর্থাৎ, অন্যের সেবা করা পুণ্য, এবং কষ্ট দেওয়া পাপ। সেবাই পরম ধর্ম; এটি আমাদের সমাজের অন্তর্নিহিত চরিত্র। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে, মূল্যবোধের এই ধারা আমাদের সকলকে লালন করে, অনুপ্রাণিত করে এবং উজ্জীবিত করে। ভারতের অনেক আধ্যাত্মিক আন্দোলন শেষ পর্যন্ত মানবসেবার মাধ্যমেই নিজেদের প্রকাশ করেছে। আমি আনন্দিত যে, আর্ট অফ লিভিং-এর প্রতিটি উদ্যোগে সেবার এই চেতনা প্রতিফলিত হয়। এইমাত্র দেখানো “সেবাই সেবা” শীর্ষক ভিডিওটি শুধুমাত্র মানুষের কল্যাণের উপরই আলোকপাত করে। আর্ট অফ লিভিং-এর এই যাত্রার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবককে আমি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
বন্ধুগণ,
যেকোনো অভিযান তখনই সফল হয় যখন তা সমাজের শক্তি দ্বারা সমর্থিত হয়। তাই, এই ধরনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মিশনের জন্য সমাজের শক্তিকে জাগিয়ে তোলা অপরিহার্য। আমি সবসময় বিশ্বাস করি যে সমাজ রাজনীতি এবং সরকারের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। এবং যেকোনো সরকার তখনই সফল হতে পারে যখন সমাজ নিজেই জাতি গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরূপ, আমাদের স্বচ্ছ ভারত অভিযান এখন আর শুধু একটি সরকারি কর্মসূচি নয়; এটি মানুষের জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ হয়ে উঠেছে। এটি এখন সমাজের শক্তিতে এগিয়ে চলেছে।
বন্ধুগণ,
সমাজ যখন সক্রিয় হয়, তখন দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতাগুলোরও সম্মিলিত সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, আর্ট অফ লিভিং সংস্থা সর্বদাই এই সামাজিক শক্তিকে গ্রহণ করেছে। আপনারা সকলেই উন্নয়ন কর্মসূচিতে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। বৃক্ষরোপণ অভিযান, গ্রামীণ স্মার্ট ভিলেজ কেন্দ্র, নারী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি, কিংবা কারাবন্দীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য প্রচারাভিযান – এই সমস্ত প্রচেষ্টাই দেশ ও সমাজের উন্নয়ন যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
বন্ধুগণ,
এখানে উপস্থিত প্রত্যেককে আমি আরও একটি কারণে সাধুবাদ জানাতে চাই, যুবশক্তির উপর তাঁদের গুরুত্ব প্রদানের জন্য। আজকের বিশ্ব ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন বিজ্ঞান নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। নতুন নতুন উদ্ভাবন সমগ্র অর্থনীতিকে বদলে দিচ্ছে। ভারত আজ শুধু এই পরিবর্তনে অংশগ্রহণই করছে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে নেতৃত্বও দিচ্ছে। আমাদের ডিজিটাল বিপ্লব ভারতকে ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা করে তুলেছে। আজ, পরিকাঠামো এক অভূতপূর্ব গতিতে এবং ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে চলেছে। ভারত দ্রুত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে পরিণত হয়েছে। আমাদের তরুণরা মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে। দেশের এই সমস্ত সাফল্যের সবচেয়ে বড় কারণ হলো আমাদের যুবসমাজ এবং আর্ট অফ লিভিং। গুরুদেব এবং আর্ট অফ লিভিং আজকের আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান খুঁজে পেতে তরুণদের ব্যাপকভাবে সাহায্য করছেন।
বন্ধুগণ,
আজ, প্রযুক্তির কল্যাণে, দূরের মানুষ মুহূর্তের মধ্যে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হচ্ছে। কিন্তু এটা অপরিহার্য যে, আমরা বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত হই বা না হই, আমরা যেন নিজেদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকি। আর নিজেদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের এই ক্ষমতা, তার বীজ বপন করা, তার পরিচর্যা করা বা তাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমেই হোক না কেন, এই মহান ঐতিহ্যের দ্বারাই সম্ভব হয়। একটি উন্নত ভারত কেবল সেইসব যুবকদের দ্বারাই নির্মিত হবে যারা মানসিকভাবে শান্ত, সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল এবং সমাজের প্রতি সংবেদনশীল। অতএব, আধ্যাত্মিক কল্যাণ, মানসিক স্বাস্থ্য, যোগ ও ধ্যানের উপর আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ এবং এই ধরনের ক্ষেত্রে কর্মরত অন্যান্য সংস্থাগুলি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলি মানুষের মধ্যে সংযোগ, আপনত্ব এবং সম্মিলিত দায়িত্ববোধকে শক্তিশালী করে। উপরন্তু, এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলি মানুষকে তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে সুযোগ করে দেয়। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আজ উদ্বোধন করা এই ধ্যান মন্দিরটি আগামী প্রজন্মের হাজার হাজার মানুষের জন্য শান্তি ও নিরাময়ের কেন্দ্র হয়ে উঠবে।
বন্ধুগণ,
আপনারা সকলেই দেশ ও সমাজের প্রতি নিজেদের কর্তব্যকে খুব ভালোভাবে পালন করছেন। কিন্তু যখনই আমি আপনাদের মাঝে আসি, একটি অনুরোধ না করে পারি না। আমি কিছু বলার আগেই গুরুজি বললেন যে, তিনি আপনাদের নয়টি অনুরোধ গ্রহণ করেছেন, তাই আর কিছু বলার ছিল না, কিন্তু এই অভ্যাসটা যায় না। ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য বহু স্তরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আর্ট অফ লিভিং-এর মতো সংস্থাগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে এবং এই পরিবর্তনের রক্ষক হতে আমাদের ক্ষমতায়ন করতে পারে। আপনাদের মধ্যে অনেকেই কৃষক এবং গ্রামীণ সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন। চলচ্চিত্রটিতে যেমন উল্লেখ করা হয়েছে, কৃষকদের প্রাকৃতিক চাষের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য আরও প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আজ, অসুস্থতার মুখেও মানুষ প্রাকৃতিক নিরাময় খুঁজছে, তাই আমাদের ধরিত্রী মাতারও প্রাকৃতিক নিরাময় প্রয়োজন। রাসায়নিক সার আমাদের ক্ষেত, আমাদের ধরিত্রী মাতাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। রাসায়নিক থেকে আমাদের ধরিত্রী মাতাকে রক্ষা করাও আর্ট অফ লিভিং-এরই অংশ। আপনারা বিপুল শক্তি যোগাতে পারেন এবং “এক পেড় মা কে নাম” প্রচারাভিযানকে প্রসারিত করতে পারেন। কারণ পরিবেশ রক্ষা করাও আর্ট অফ লিভিং-এরই অংশ। আমরা বাস্তুসংস্থান এবং অর্থনীতিকে আলাদা করতে পারি না। তবে, ” এভরি ড্রপ মোর ক্রপ” বা ‘ প্রত্যেক বিন্দুতে অধিক ফসল’ প্রচারাভিযানের মাধ্যমে কৃষকদের শেখানো হচ্ছে কীভাবে দক্ষতার সঙ্গে জল ব্যবহার করতে হয়। আমি নিশ্চিত যে, আপনাদের সমর্থনে আরও ভালো ফল পাওয়া যাবে। কারণ জলের প্রতিটি ফোঁটা বাঁচানোও একটি আর্ট অফ লিভিং। আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বর্ষা ঋতু আসছে। জল সংরক্ষণ সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার এটাই সঠিক সময়। একইভাবে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পরিহার এবং স্থানীয় পণ্যের প্রচার করা — এই সবই আর্ট অফ লিভিং-এর অংশ। আজ দেশ ‘মিশন লাইফ’-এর উপরও গুরুত্ব আরোপ করছে। এটি বৃহত্তর দায়িত্ব ও সচেতনতার সঙ্গে জীবনযাপনের একটি প্রাণবন্ত প্রচারাভিযান। এটি আমাদের এমন একটি জীবনধারা গ্রহণ করতে উৎসাহিত করে যা প্রকৃতির সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখে। এবং আমার মতে, ‘মিশন লাইফ’ হলো ‘আর্ট অফ লিভিং’-এরও একটি বহিঃপ্রকাশ। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আগামী দিনে আপনারা সকলে ‘আর্ট অফ লিভিং’-এর বিভিন্ন দিককে প্রসারিত ও বিকশিত করার মাধ্যমে, আপনারা যা সর্বদা করে এসেছেন, তা-ই চালিয়ে যাবেন। আপনারা সমাজের একটি বৃহৎ অংশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকে অগ্রাধিকার দেবেন, এবং যখন আমরা গুরুজীর শতবর্ষ উদযাপন করব, ততদিনে আমাদের এই সমস্ত লক্ষ্য অর্জিত হয়ে যাবে। আমি আবারও শ্রী শ্রী রবি শঙ্কর জি এবং গুরুদেবকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আমি ‘আর্ট অফ লিভিং’ পরিবারের প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবককে তাদের সেবার মনোভাব এবং নিষ্ঠার জন্য আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। আপনারা আবারও আমাকে আপনাদের মাঝে এখানে থাকার, এই পবিত্র পরিবেশে কিছু মুহূর্ত কাটানোর, পদ্মের ছায়ায় ধ্যান করার সুযোগ দিয়েছেন, যার জন্য আমি আবারও আপনাদের অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই। জয় গুরুদেব।
SC/SB/AS
Speaking at the 45th anniversary celebrations of The Art of Living in Bengaluru. @ArtofLiving https://t.co/AX7Z2T0gXY
— Narendra Modi (@narendramodi) May 10, 2026
बेंगलुरू का माहौल...यहां का वातावरण...कुछ अलग ही होता है।
— PMO India (@PMOIndia) May 10, 2026
ये शहर software और services के लिए दुनिया भर में जाना जाता है।
लेकिन भारत की सांस्कृतिक पहचान... Spirituality...आध्यात्मिक चेतना को भी इस शहर ने नई ऊंचाई दी है: PM @narendramodi
सेवा परमो धर्मः ...ये हमारे समाज का स्वाभाविक चरित्र है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 10, 2026
हमारा स्वच्छ भारत अभियान... ये सिर्फ सरकारी कार्यक्रम नहीं है बल्कि ये लोगों के जीवन का स्वाभाविक हिस्सा बन चुका है।
— PMO India (@PMOIndia) May 10, 2026
अब ये समाज की शक्ति से ही आगे बढ़ रहा है: PM @narendramodi
विकसित भारत का निर्माण ऐसे युवाओं से ही होगा... जो मानसिक रूप से शांत हों, जो सामाजिक रूप से जिम्मेदार हों, जो समाज के प्रति संवेदनशील हों: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 10, 2026