Search

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

ভারত রিনিউয়েবল এনার্জি সামিট অ্যান্ড এক্সপো’র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারত রিনিউয়েবল এনার্জি সামিট অ্যান্ড এক্সপো’র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


নয়াদিল্লি, ০২ নভেম্বর, ২০২৬

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপম – এ ভারত রিনিউয়েবল এনার্জি সামিট অ্যান্ড এক্সপো’র উদ্বোধন করেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্প, বিনিয়োগ ও স্টার্টআপ জগতের প্রতিনিধিদের এই সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে জ্বালানী নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বেগের এক অধ্যায়ে এই সমাবেশের আয়োজন হয়েছে। বিশ্বের সমকালীন পরিস্থিতি মানুষের দৈনন্দিন জীবন এবং জাতীয় বিকাশের ক্ষেত্রে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির গুরুত্ব স্পষ্ট করে দিচ্ছে। এই সমাবেশের আয়োজন এবং আন্তর্জাতিক সৌরজোটের নবম সমাবেশ মোটামুটি একই সময়ে আয়োজিত হচ্ছে – যা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। 

করনা অতিমারী থেকে চলমান পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত – বেশ কিছু সময় ধরেই বিশ্বের পরিস্থিতি অত্যন্ত টালমাটাল। এর মধ্যেই ভারত বিকাশের উচ্চ হার বজায় রেখে এগিয়ে চলেছে। এই বিষয়টি ১৪০ কোটি ভারতীয়র কাছে অত্যন্ত গর্বের বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। 

তিনি বলেন, সারা বিশ্বের অস্থিরতা বুঝিয়ে দিয়েছে যে, জ্বালানী নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত। জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এই অস্থিরতা দূর করতে পারবে না। এর সমাধান মিলতে পারে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির প্রসারের মধ্য দিয়ে। 

২০৩০ সাল নাগাদ অজীবাশ্ম উৎস থেকে জ্বালানী উৎপাদন ক্ষমতার ৫০০ গিগাওয়াটে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ভারত এগিয়ে চলেছে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। ২০২৫ সালেই এই লক্ষ্য পূরণে যাত্রায় দেশ অনেকটাই এগিয়েছে বলে তিনি জানান। 

ভারতে সৌর শক্তির প্রসারের বিষয়টি তুলে ধরতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ২০২৪ সালে শুরু হওয়া পিএম – সূর্যঘর মুফত বিজলী যোজনার কথা উল্লেখ করেন। এই উদ্যোগে ইতিমধ্যেই ৬৫ লক্ষ পরিবার সামিল হয়েছে বলে পরিসংখ্যান পেশ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এরফলে ঐসব পরিবারের বিদ্যুৎ বিল কমেছে অনেকটাই। এছাড়াও, সেচের কাজে সৌর শক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে কুসুম প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলে তাঁর মন্তব্য। পিএম – সূর্য সরোবর কর্মসূচির কথাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। এছাড়াও, জাতীয় গ্রীন হাইড্রোজেন মিশন – এর আওতায় এই দশকের শেষ নাগাদ ৫০ লক্ষ টন গ্রীন হাইড্রোজেন উৎপাদনে লক্ষ্য রাখা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি তার উপযুক্ত সংবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভারত বিশেষভাবে উদ্যোগী বলে পুনরায় উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে তিনি ‘এক দেশ, এক পাওয়ার গ্রীড’ কর্মসূচির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। 

পরিবেশ-বান্ধব শক্তির প্রসারের মাধ্যমে কর্মসংস্থানেও গতি আসবে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। সৌর ও পরিবেশ-বান্ধব শক্তির প্রসারের ক্ষেত্রে ভারত আফ্রিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে সহায়তায় প্রস্তুত বলেও প্রধানমন্ত্রী আবারও জানিয়েছেন। 

 

MH/AC/SB