Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

‘স্টার্টআপ ইন্ডিয়া’-র এক দশক পূর্তি উপলক্ষে নতুন দিল্লিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী

‘স্টার্টআপ ইন্ডিয়া’-র এক দশক পূর্তি উপলক্ষে নতুন দিল্লিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী


নতুন দিল্লি, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬

 

জাতীয় স্টার্টআপ দিবসে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপমে স্টার্টআপ ইন্ডিয়া উদ্যোগের এক দশক পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ জাতীয় স্টার্টআপ দিবসের বিশেষ দিন উদযাপনে সবাই একত্রিত হয়েছেন, স্টার্টআপ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্ভাবকরাও উপস্থিত রয়েছেন, তাঁরাই নতুন ও উন্নয়নশীল ভারতের ভবিষ্যৎ। প্রধানমন্ত্রী জানান, মাত্র কিছুক্ষণ আগেই তিনি কৃষি, আর্থিক প্রযুক্তি, গতিশীলতা, স্বাস্থ্য এবং সুস্থিতির ক্ষেত্রে কর্মরত কয়েকজন অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। তাঁদের ভাবনা-চিন্তা তাঁকে চমৎকৃত করেছে। বিশেষত তাঁদের আত্মবিশ্বাস ও উচ্চাকাঙ্ক্ষায় তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। স্টার্টআপ ইন্ডিয়া-র এক দশক পূর্তির উল্লেখ করে এই উদ্যোগের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তরুণদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে তিনি আনন্দিত বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। শ্রী মোদী বলেন, ভারতের তরুণরা বাস্তব সমস্যা সমাধানের ওপর যে মনোযোগ দেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ উদ্ভাবকদের নতুন স্বপ্ন দেখার সাহসের ভূয়সী   প্রশংসা করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ স্টার্টআপ ইন্ডিয়ার দশ বছর পূর্তির মাইলফলক এবং এই যাত্রা নিছক একটি সরকারি প্রকল্পের সাফল্যের কাহিনী নয়, বরং এ হলো লক্ষ লক্ষ স্বপ্ন এবং অগণিত কল্পনার বাস্তবায়নের এক যাত্রা। তিনি বলেন, দশ বছর আগে ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা এবং উদ্ভাবনের সুযোগ খুব কম ছিল। সেই পরিস্থিতিতে বদল আনার লক্ষ্যে স্টার্টআপ ইন্ডিয়া কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল, যেখানে যুব সমাজ এক উন্মুক্ত আকাশের সন্ধান পেয়েছিলেন আর আজ তারই ফলাফল দেশের সামনে রয়েছে। “মাত্র ১০ বছরে স্টার্টআপ ইন্ডিয়া মিশন এক বিপ্লবে পরিণত হয়েছে। আজ ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ পরিমণ্ডল গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।” তিনি বলেন, দশ বছর আগে যেখানে স্টার্টআপ-এর সংখ্যা ৫০০-রও কম ছিল, সেখানে আজ এই সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৪ সালে ভারতে মাত্র চারটি ইউনিকর্ন ছিল, আজ সেখানে প্রায় ১২৫টি সক্রিয় ইউনিকর্ন রয়েছে। সারা বিশ্ব বিস্ময়ের সঙ্গে ভারতের এই সাফল্য প্রত্যক্ষ করছে। আগামী দিনে যখন ভারতের স্টার্টআপ যাত্রা নিয়ে আলোচনা হবে, তখন এই প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত অনেক তরুণই সেই আলোচনায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ ইন্ডিয়ার গতি ক্রমাগত বাড়ছে, আজকের স্টার্টআপগুলি ইউনিকর্ন হচ্ছে, আইপিও চালু করছে এবং আরও বেশি সংখ্যায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই প্রায় ৪৪,০০০ নতুন স্টার্টআপ নিবন্ধিত হয়েছে, যা ‘স্টার্টআপ ইন্ডিয়া’-র সূচনা থেকে কোনো এক বছরে সর্বাধিক নথিভুক্তির সংখ্যা। ভারতের স্টার্টআপগুলি কীভাবে কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও বিকাশের চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে, এই পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ। 

‘স্টার্টআপ ইন্ডিয়া’ দেশে এক নতুন সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করে শ্রী মোদী বলেন, আগে সাধারণত বড় শিল্পপতি পরিবারের ছেলেমেয়েরাই নতুন ব্যবসা ও উদ্যোগ শুরু করতো। কারণ তাদের কাছেই অর্থের যোগান ও অন্য সবধরনের সংস্থান থাকতো। মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েরা কেবল চাকরির স্বপ্নই দেখতে পারত। ‘স্টার্টআপ ইন্ডিয়া’ কর্মসূচি এই মানসিকতা বদলে দিয়েছে। এখন দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের শহর এমনকি গ্রামের যুবসমাজও নিজেদের স্টার্টআপ শুরু করছে এবং তৃণমূল পর্যায়ের সবথেকে জরুরি সমস্যাগুলি সমাধানের চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করার এই মানসিকতা তাঁর কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।

এই পরিবর্তনে দেশের মেয়েরা বড় ভূমিকা পালন করেছেন বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ৪৫ শতাংশেরও বেশি স্বীকৃত স্টার্টআপে অন্তত একজন মহিলা ডিরেক্টর বা অংশীদার রয়েছেন। মহিলা-নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপ-এর অর্থের যোগানের ক্ষেত্রে ভারতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরিমণ্ডল গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অন্তর্ভুক্তিমূলক গতি ভারতের সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

শ্রী মোদী বলেন, আজ দেশ স্টার্টআপ বিপ্লবের মধ্যেই তার ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছে, এবং যদি প্রশ্ন করা হয় যে স্টার্টআপগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ কেন, তবে এর অনেক উত্তর পাওয়া যাবে: ভারত বিশ্বের সবচেয়ে তরুণ দেশ, ভারত দ্রুততম বিকাশশীল অন্যতম প্রধান অর্থনীতি, ভারত বিশ্বমানের পরিকাঠামো তৈরি করছে, এবং নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে—এই প্রতিটি তথ্যই সত্য। তবুও, যা তাঁর হৃদয়কে সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করে তা হলো স্টার্টআপের মানসিকতা, যেখানে ভারতের যুবকরা আরামদায়ক গণ্ডির মধ্যে জীবন কাটাতে বা পুরোনো পথে চলতে রাজি নয়, বরং তারা নিজেদের জন্য নতুন পথ তৈরি করতে চায়, নতুন গন্তব্য এবং নতুন মাইলফলক খুঁজে বেড়াতে চায়। এই ধরনের নতুন গন্তব্য কেবল কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব। এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী একটি প্রবাদবাক্য স্মরণ করেন, যার অর্থ হলো কাজ কেবল ইচ্ছার দ্বারা নয়, উদ্যোগের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন যে, উদ্যোগের জন্য সাহসই প্রথম শর্ত, এবং এই পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য যুবসমাজ যে অপরিসীম সাহস ও ঝুঁকি নিয়েছে, তার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগে দেশে ঝুঁকি নেওয়াকে নিরুৎসাহিত করা হতো, কিন্তু আজ এটি মূলধারায় পরিণত হয়েছে। মাসিক বেতনের বাইরে গিয়ে যারা চিন্তা করেন, তারা আজ কেবল স্বীকৃতই নন, সম্মাননীয়ও বটে। যেসব ভাবনা-চিন্তা আগে উড়িয়ে দেওয়া হতো আজ সেগুলিই গুরুত্ব পাচ্ছে। 

ঝুঁকি নেওয়ার উপর জোর দিয়ে শ্রী মোদী বলেন, এটা দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর নিজের অভ্যাস। যেসব কাজ কেউ করতে রাজি হতো না, বিভিন্ন সরকার দশকের পর দশক ধরে নির্বাচনে হারার বা ক্ষমতা হারানোর ভয়ে যেসব বিষয় এড়িয়ে গেছে, যেগুলি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হতো, তিনি সবসময়েই  সেগুলি সম্পন্ন করা নিজের দায়িত্ব বলে মনে করেছেন। উদ্ভাবকদের মতো তিনিও বিশ্বাস করেন যে, যদি দেশের জন্য কোনো কিছু প্রয়োজনীয় হয়, তবে কাউকে না কাউকে সেই ঝুঁকি নিতেই হবে। এর ফলে কোনো ক্ষতি হলে তা তাকে সহ্য করতে হবে, কিন্তু এর সুফল পৌঁছবে লক্ষ লক্ষ পরিবারের কাছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত দশ বছরে দেশে উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেওয়ার এক পরিমণ্ডল তৈরি হয়েছে। শিশুদের মধ্যে উদ্ভাবনী চেতনা জাগিয়ে তোলার জন্য স্কুলগুলিতে অটল টিঙ্কারিং ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে, জাতীয় সমস্যাগুলির সমাধানে যুবকদের উৎসাহিত করতে চালু হয়েছে হ্যাকাথন। সম্পদের অভাবে কোনো ভাবনা যাতে নষ্ট না হয় তা নিশ্চিত করতে ইনকিউবেশন সেন্টার তৈরি করা হয়েছে।

শ্রী মোদী বলেন, জটিল নিয়মকানুন, দীর্ঘ অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং ইন্সপেক্টর রাজের ভয় একসময়ে উদ্ভাবনের পথে সবথেকে বড় বাধা ছিল। সেজন্যই তাঁর সরকার বিশ্বাস ও স্বচ্ছতার এক পরিবেশ গড়ে তুলেছে। জন বিশ্বাস আইনের আওতায় ১৮০টিরও বেশি বিধানকে অপরাধমুক্ত করা হয়েছে, এতে উদ্ভাবকরা মামলা-মোকদ্দমার পরিবর্তে নিজেদের কাজের উপর মনোযোগ দিতে পারছেন। স্টার্টআপগুলি এখন বহু আইনে স্ব-প্রত্যয়নের সুবিধা পাচ্ছে। ব্যবসার সংযুক্তিকরণ ও ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে।

শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “স্টার্টআপ ইন্ডিয়া কেবল একটি প্রকল্প নয়, এটি এমন এক রামধনু দৃষ্টিভঙ্গি যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসছে।” আগে প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলি প্রতিষ্ঠিত সংস্থাগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার কথা ভাবতেই পারত না। কিন্তু এখন iDEX-এর মাধ্যমে কৌশলগত ক্ষেত্রগুলিতে সরকারি ক্রয়ের নতুন পথ খুলে গেছে। মহাকাশ ক্ষেত্রে একসময়ে বেসরকারি সংস্থাগুলি যোগ দিতে পারতো না, আজ তা খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০০টি স্টার্টআপ এই ক্ষেত্রে কাজের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি আদায় করে নিচ্ছে। একইভাবে, ড্রোন ক্ষেত্রে সেকেলে নিয়মকানুন বহুদিন ধরে ভারতকে পিছনে ফেলে রেখেছিল, কিন্তু আজ সংস্কার এবং উদ্ভাবকদের প্রতি আস্থা এই ক্ষেত্রের চালচিত্র বদলে দিয়েছে। সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে, গভর্নমেন্ট ই-মার্কেটপ্লেস (GeM) বাজারের নাগাল সম্প্রসারিত করেছে। এখানে প্রায় ৩৫,০০০ স্টার্টআপ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা যুক্ত হয়েছে তারা প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৫ লক্ষ বরাত পেয়েছে। স্টার্টআপগুলি তাদের সাফল্যের মাধ্যমে প্রতিটি ক্ষেত্রে বিকাশের নতুন পথ খুলে দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুঁজি না থাকলে সেরা ভাবনাগুলির পক্ষেও বাজারে পৌঁছানো সম্ভব নয়, সেজন্য সরকার উদ্ভাবকদের জন্য অর্থের যোগানের উপর গুরুত্ব দিয়েছে। স্টার্টআপগুলির জন্য ফান্ড অফ ফান্ডস-এর মাধ্যমে ২৫,০০০ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে। স্টার্টআপ ইন্ডিয়া সিড ফান্ড, ইন-স্পেস সিড ফান্ড, নিধি সিড সাপোর্ট প্রোগ্রামের মতো প্রকল্পগুলি স্টার্টআপগুলিকে প্রাথমিক তহবিল যোগাচ্ছে। সহজে ঋণ পাওয়ার জন্য একটি ক্রেডিট গ্যারান্টি প্রকল্প চালু করা হয়েছে, যাতে সমান্তরাল জামানতের শর্ত সৃজনশীলতার পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।

শ্রী মোদী বলেন, আজকের গবেষণাই আগামীদিনের মেধা সম্পদে পরিণত হয়। তাই, ১ লক্ষ কোটি টাকার একটি গবেষণা, উন্নয়ন ও উদ্ভাবন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। উদীয়মান ক্ষেত্রগুলিতে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকে সমর্থন করার জন্য একটি ডিপ টেক ফান্ড অফ ফান্ডসও চালু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এমন উদীয়মান ক্ষেত্রগুলিতে নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং এর প্রধান উদাহরণ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এআই বিপ্লবে নেতৃত্বদানকারী দেশগুলি বেশি সুবিধা পাবে। ভারতের ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব তার স্টার্টআপগুলির ওপর বর্তায়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের আয়োজন করবে বলে উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, এটি তরুণদের জন্য এক দারুণ সুযোগ। তিনি বলেন, কম্পিউটিং-এর মাত্রাধিক ব্যয় একটা চ্যালেঞ্জ ঠিকই, কিন্তু ইন্ডিয়া এআই মিশনের মাধ্যমে এর মোকাবিলা করা হচ্ছে। ছোট স্টার্টআপগুলি যাতে এই বড় মাপের প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারে, সেজন্য ৩৮,০০০-এরও বেশি জিপিইউ যুক্ত করা হয়েছে। ভারতীয় সার্ভারে ভারতীয় প্রতিভায় তৈরি দেশীয় এআই রাখা হচ্ছে। সেমিকন্ডাক্টর, ডেটা সেন্টার, গ্রিন হাইড্রোজেন এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রচেষ্টা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা শুধু অংশগ্রহণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, বিশ্ব নেতৃত্বে পৌঁছনোর লক্ষ্য রাখতে হবে। স্টার্টআপগুলিকে তিনি নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করার ও সমস্যা সমাধানের প্রয়াস চালানোর আহ্বান জানান।” তিনি বলেন, গত কয়েক দশকে ভারত ডিজিটাল স্টার্টআপ ও পরিষেবা ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছে, এখন স্টার্টআপগুলিকে উৎপাদন ক্ষেত্রের ওপর মনোযোগ দিতে হবে। ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি বিশ্বমানের নতুন পণ্য ও অনন্য প্রযুক্তিগত ভাবনার আহ্বান জানান। শ্রী মোদী বলেন, সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির সঙ্গে রয়েছে। স্টার্টআপগুলির সাহস, আত্মবিশ্বাস ও উদ্ভাবনী শক্তির প্রতি সরকারের গভীর আস্থা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত দশ বছরে, দেশের সক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে এবং আগামী এক দশকে নতুন স্টার্টআপ প্রবণতা ও প্রযুক্তিতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে ভারতকে এগিয়ে যেতে হবে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

SC/SD/SKD/