পিএমইন্ডিয়া
নতুন দিল্লি, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সময় “অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব শাসন ও বহুপাক্ষিকতা জোরদারকরণ” বিষয়ক অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
২. তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর ওপর জোর দেন:
ক) ‘গ্লোবাল সাউথ’ বা উন্নয়নশীল বিশ্ব নানা আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় সম্মুখসারিতে থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তারা রয়েছে পিছনের সারিতে। আমাদের অবশ্যই “সুবিধাপ্রাপ্তির পিরামিড”-কে “অংশীদারিত্বের মঞ্চ”-এ রূপান্তরিত করতে হবে।
খ) বিশ্ব শাসন ব্যবস্থায় বর্তমান বাস্তবতার প্রতিফলন থাকতে হবে এবং বিশেষ করে রাস্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
গ) ‘গ্লোবাল সাউথ’-কে কেবল নিয়ম মেনে চলা পক্ষ থেকে নিয়ম নির্ধারণকারী পক্ষ-এ উন্নীত করার প্রচেষ্টা চালাতে হবে। ব্রিকস-এর মাধ্যমে আমরা ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর তরুণ কূটনীতিক ও নীতিনির্ধারকদের দরকষাকষির দক্ষতা, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং আইনি বিষয়ে পারদর্শিতা প্রদান করতে পারি।
ঘ) নাবিকরা বিশ্ব বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, অথচ সংকটের সময় তাঁরা প্রায়শই পর্যাপ্ত সহায়তা পান না; তাই তিনি একটি ‘নাবিক জরুরি সহায়তা নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলার প্রস্তাব করেন।
৩. প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন যে, যেহেতু আমাদের ভবিষ্যৎ যৌথ, তাই সেই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অধিকারও যৌথ হতে হবে – তা প্রত্যেক দেশের কণ্ঠস্বর থেকে প্রভাব বিস্তার কিংবা সুবিধাপ্রাপ্তি থেকে অংশীদারিত্ব – সর্বক্ষেত্রেই।
প্রধানমন্ত্রীর প্রারম্ভিক ভাষণটি এখানে দেখা যাবে – https://www.mea.gov.in/Speeches-Statements?dtl/41775
৪. নতুন দিল্লি ব্রিকস নেতৃবৃন্দের ঘোষণা গ্রহণের মধ্য দিয়ে অধিবেশনটি শেষ হয়; এই ঘোষণাপত্রে ভবিষ্যতে ব্রিকস-এর সহযোগিতার ক্ষেত্রে যৌথ অগ্রাধিকার, প্রতিশ্রুতি ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘোষণাপত্রটি এখানে দেখা যাবে –
https://www.mea.gov.in/bilateral-documents?dtl/41776
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2309625®=48&lang=1
SC/SB/AS