পিএমইন্ডিয়া
নয়াদিল্লি, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গতকাল দিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে অবস্থিত তাঁর বাসভবনে জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার বিজয়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
এ বছর তিনটি বিভাগ থেকে মোট ৮২ জন শিক্ষক ও শিক্ষাবিদকে জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের ৪৮ জন শিক্ষক, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পলিটেকনিকের ২১ জন শিক্ষক/অনুষদ সদস্য এবং দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের ১৩ জন দক্ষতা প্রশিক্ষক। পুরস্কারপ্রাপকরা তাঁদের শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষাদানকে আরও আকর্ষণীয় ও কার্যকর করে তুলতে তাঁরা যেসব সৃজনশীল পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন, সে সম্পর্কেও তাঁরা আলোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, শিক্ষকদের কেবল শিশুদের শিক্ষাগত ফলাফলের দিকেই নজর দিলে চলবে না, বরং তাদের আচরণ ও দৈনন্দিন জীবনের প্রতিও মনোযোগী হতে হবে। প্রথাগত যৌথ পরিবার প্রথা কমে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিশুদের জীবনে শিক্ষকদের ভূমিকা ক্রমশ: গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। মাদক সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের আহ্বান জানান যেন তাঁরা শিশুদের আচরণে পরিবর্তনগুলোর প্রতি সতর্ক থাকেন, এর কারণ শনাক্ত করেন এবং আক্রান্ত শিশুদের এই অভ্যাস কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শৈশবের নির্মল সারল্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, শিশুদের মৌলিক স্বভাব ও কৌতূহল একই রকম হয়ে থাকে; শিক্ষকরা যদি এই কৌতূহলকে সঠিক পথে পরিচালিত ও বিকশিত করেন, তবে তা শিশুদের সামগ্রিক বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে।
‘স্ক্রিন টাইম’ বা ডিজিটাল ডিভাইসের সামনে সময় কাটানোর বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি এখন একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি শিক্ষকদের পরামর্শ দেন যেন তাঁরা অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করেন যে, শিশুরা কতটা সময় স্ক্রিনের সামনে কাটাচ্ছে এবং গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে কি না। তিনি বলেন, খেলাধুলা, শারীরিক কসরত এবং সৃজনশীল কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির মাধ্যমে শিশুদের ধীরে ধীরে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাস থেকে বের করে আনা সম্ভব।
প্রধানমন্ত্রী জাতীয় শিক্ষানীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শিশুদের শ্রেণিকক্ষের বাইরে নিয়ে যাওয়া এবং বাস্তব জীবনের দক্ষতা ও কাজের বিভিন্ন ধারার সঙ্গে তাদের যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এছাড়া তিনি শিক্ষকদের পাঠ্যসূচি-ভিত্তিক জ্ঞান দানের গণ্ডি পেরিয়ে শিশুদের মধ্যে শ্রমের মর্যাদার মতো মূল্যবোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও সহায়তা করার আহ্বান জানান।
******
SC/SB/DM
#TeachersDay is about appreciating the strong contribution of teachers to our society. It is also a day to pay homage to Dr. S. Radhakrishnan.
— Narendra Modi (@narendramodi) September 5, 2026
Here is what happened when the National Teachers' Awards winners were invited to 7, LKM yesterday…. pic.twitter.com/LtXTvHiQoQ